মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

১৯৭১ গণহত্যায় শহীদদের তালিকা

১৯৭১ গণহত্যা, সিরাজগঞ্জ

১৯৭১’র ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে আমরা স্বাধীনতার রক্তসূর্য পতাকা ছিনিয়ে এনেছি। পেয়েছি স্বাধীনতা, একটি মানচিত্র। লাখো বাঙালীর রক্তে কেনা স্বাধীনতার মধ্যে রয়েছে অনেক আখ্যান, আছে বহু মানুষের আত্মবলিদানের ইতিহাস। এই আখ্যানে সবচেয়ে বড় ট্র্যাজেডি গণহত্যা। পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী ও তাদের এদেশীয় দোসর রাজাকার, আলবদর ও শান্তি কমিটি পরিকল্পিতভাবে নিরস্ত্র বাঙালীকে নির্বিচারে হত্যা করেছে। এই গণহত্যার মর্মন্তুদ কাহিনী আমদের নাড়া দেয়। সারাদেশের মতো ১৯৭১ এ সিরাজগঞ্জেও চালিয়েছিল গণহত্যা।

সিরাজগঞ্জের সেই গণহত্যার কাহিনী আমরা হারিয়ে ফেলছি। প্রায় দু’বছর অনুসন্ধানের পর একটি তালিকা সংগ্রহ করতে পেরেছি। সিরাজগঞ্জ জেলার শহর বন্দর গ্রামে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী ও এদেশীয় দোসর যে গণহত্যা চালিয়েছে সেই মর্মন্তুদ কাহিনী বর্ণনা স্বল্প পরিসরে সম্ভব নয়। যেটুকু সংগৃহীত হয়েছে তা নগণ্য যতটুকু পেরেছি সত্যকে তুলে আনার চেষ্টা করেছি। অনেক ক্রুটি বিচ্যুতি থাকতে পারে সংশোধনের দায়িত্ব আমাদের সকলের।

 

সিরাজগঞ্জ সদরের হরিণাগোপাল, বাগবাটি, পিপুলবাড়িয়া, ঢলডোব গণহত্যা

সিরাজগঞ্জ সদরের হরিণাগোপাল, বাগবাটি, পিপুলবাড়িয়া, ঢলডোব গণহত্যা। পিতা পুত্রকে এক কাতারে দাঁড় করিয়ে নির্বিচারে গুলি করে হত্যা করেছে। রাজাকার, আলবদর বাহিনী ও শান্তি কমিটির নেতৃবৃন্দ উল্লাস করেছে।

সিরাজগঞ্জ শহরের প্রায় ১৪ কিলোমিটার দূরে একয়েকটি গ্রাম। ১৯৭১’র ৩১শে মে একয়েকটি গ্রামে ঘটে নির্মম হত্যাযজ্ঞ। সিরাজগঞ্জ শহর দখলের পর জীবন বাঁচাতে শত শত নর-নারী ও শিশু শহর ছেড়ে আশ্রয় নিয়েছিল এসব গ্রামে। আশ্রিত অধিকাংশই ছিল হিন্দু। পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী ও তাদের এদেশীয় দোসর রাজাকার, আলবদর ও শান্তি কমিটির সাথে গ্রাম ঘেরাও করে নির্বিচারে গুলি চালিয়ে হত্যা করে নিরস্ত্র হিন্দু ও মুসলমানকে।

গণহত্যার শিকার মানুষগুলোকে বাগবাটি ও ঢলডোব পরিত্যক্ত জমিদার বাড়ির কূপের মধ্যে ফেলে দেয়। অনুসন্ধানে জানা যায়, ৩টি গ্রুপে ভাগ হয়ে রাজাকার, আলবদর ও শান্তি কমিটি গ্রাম ঘেরাও করে। রাজাকার, আলবদর ও শান্তি কমিটি গ্রুপের দায়িত্ব ছিল অগ্নিসংযোগ, আলবদরের দায়িত্ব ছিল হত্যা ও পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী চালিয়েছে গণধর্ষণ।

 

সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার হরিণাগোপাল গণহত্যা

এখানে যাদের হত্যা করা হয়েছে তাদের মধ্যে ৩৯ জনের নাম ঠিকানা পাওয়া গেছে।

১. ভানু দত্ত

পিতা মৃত ডাঃ ননী দত্ত

হরিণাগোপাল

২. সানু দত্ত

পিতা মৃত ডাঃ ননী দত্ত

হরিণাগোপাল

৩. শ্যামা দত্ত

পিতা মৃত কালিপদ দত্ত

হরিণাগোপাল

৪. হরিপদ দত্ত

পিতা মৃত কালিপদ দত্ত

হরিণাগোপাল

৫. জ্ঞানেন্দ্র নাথ দেব (ধুপা)

পিতা মৃত কান্দুনাথ দেব

হরিণাগোপাল

৬. ক্ষুদরাম রায়

পিতা মৃত মধু রায়

হরিণাগোপাল

৭. ভোলানাথ রায়

পিতা অজ্ঞাত

হরিণাগোপাল

৮. সমরনাথ রায়

পিতা মৃত ভোলানাথ রায়

হরিণাগোপাল

৯. রতন চক্রবর্তী

পিতা মৃত যতীন চক্রবর্তী

হরিণাগোপাল

১০. কানাই লাল দাস

পিতা মৃত পূণ্য লাল দাস

হরিণাগোপাল

১১. কালিপদ দত্ত

পিতা মৃত পোহল­াদ চন্দ্র দত্ত

হরিণাগোপাল

১২. তারাপদ দত্ত

পিতা মৃত ঈশান চন্দ্র দত্ত

হরিণাগোপাল

১৩. রবীন্দ্রনাথ দত্ত

পিতা মৃত দেবনাথ দত্ত

হরিণাগোপাল

১৪. বাচ্চু দত্ত

পিতা মৃত রবীন্দ্রনাথ দত্ত

হরিণাগোপাল

১৫. গেদা হাওলাদার

পিতা মৃত ত্রৈলক্য হাওলাদার

হরিণাগোপাল

১৬. সদানন্দ সরকার

পিতা মৃত তারক সরকার

হরিণাগোপাল

১৭. সুবল চন্দ্র হাওলাদার

পিতা মৃত অজ্ঞাত

হরিণাগোপাল

১৮. মহাদেব দাস

পিতা মৃত অজ্ঞাত

হরিণাগোপাল

১৯. মহাদেব বষিক

পিতা মৃত অজ্ঞাত

হরিণাগোপাল

২০. রবি দত্ত

পিতা মৃত ডাঃ ননী দত্ত

হরিণাগোপাল


 

২১. সুনীল কুমার ঠাকুর

পিতা মৃত তিনঘরি ঠাকুর

বাগবাটি

২২. নরেন চন্দ্র তাম্বুলী

পিতা মৃত যোগেশ চন্দ্র তাম্বুলী

বাগবাটি

২৩. গুঠুরাম তাম্বুলী

পিতা মৃত গইয়া রাম তাম্বুলী

বাগবাটি

২৪. ছুটুরাম পাল

পিতা মৃত মানিক চন্দ্র পাল

বাগবাটি

২৫. মন্টু চন্দ্র পাল

পিতা মৃত হারান চন্দ্র পাল

বাগবাটি

২৬. হারান চন্দ্র পাল

পিতা মৃত হরিনাথ চন্দ্র পাল

বাগবাটি

২৭. মজিবর রহমান

পিতা মৃত খোদা বক্স

বাগবাটি

২৮. আয়নাল হক

পিতা মৃত খোদা বক্স

বাগবাটি

২৯. ফণীন্দ্রনাথ কাওয়ালী

পিতা মৃত হরিবন্ধ কাওয়ালী

বাগবাটি

৩০. যুধিষ্ঠির পাল

পিতা মৃত অজ্ঞাত

বাগবাটি

৩১. চেঙ্গু পাল

পিতা মৃত অজ্ঞাত

বাগবাটি

৩২. পুষ্পরাম হাওলাদার

পিতা মৃত অজ্ঞাত

বাগবাটি

৩৩. গৌর কর্মকার

পিতা মৃত অজ্ঞাত

বাগবাটি

৩৪. সহাদেব সাহা

পিতা মৃত অজ্ঞাত

বাগবাটি

৩৫. হোল্ডি খাঁ

পিতা মৃত রমজান আলী খাঁ

মালিগাঁতী

৩৬. মাঙ্গন খাঁ

পিতা মৃত হোসেন আলী খাঁ

মালিগাঁতী

৩৭. যোগেশ চন্দ্র শীল

পিতা মৃত অনাথবন্ধু শীল

মালিগাঁতী

৩৮. শম্ভু সাহা

পিতা মৃত অজ্ঞাত

সিরাজগঞ্জ থেকে আগত

৩৯. দুহা কারিগর

পিতা মৃত অজ্ঞাত

সুবর্ণগাঁতী।

 

গুপিরপাড়া ও শাহানগাছা গণহত্যা

১৯৭১’র অক্টোবর মাসে গ্রামে হানা দিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের সমর্থন ও আশ্রয় দেয়ার দায়ে ৭ জন আওয়ামীলীগ কর্মীকে ধরে নিয়ে যায়। তাদের লাশ পাওয়া যায়নি।

 

১. ময়নুল হক

পিতা মৃত মাঙ্গন মেম্বর

গুপিরপাড়া

২. ইয়াকুব সরকার

পিতা মৃত শুকুর আলী

গুপিরপাড়া

৩. নুরুল ইসলাম

পিতা মৃত ফজু শেখ

গুপিরপাড়া

৪. সাইফুল ইসলাম

পিতা মৃত আববাস আলী

গুপিরপাড়া

৫. আবুল কালাম আজাদ

পিতা মৃত হোসেন আলী

শাহানগাছা

৬. মজিবর রহামন

পিতা মৃত কছের আলী

শাহানগাছা

৭. পুর্নচন্দ্র হালদার

অজ্ঞাত

ছোনগাছা

 

সিরাজগঞ্জ শহরের দরগাহ্পট্টি গণহত্যা

১৯৭১’র ১৮ ও ১৯শে এপ্রিল সিরাজগঞ্জ শহর দখল করে পাকিস্তানী ও শান্তি কমিটি ও বিহারীরা শহরের দরগাহ্পট্টি থেকে ৭ জন নারী ও পুরুষ ধরে এনে প্রকাশ্য রাস্তার উপর দাঁড় করিয়ে পিতা, পুত্র, স্বামী ও স্ত্রী এক কাতারে দাঁড় করিয়ে গুলি করে নির্মমভাবে হত্যা করেছে।

১. আবদুল বারিক

পিতা আহমতুল্লা

দরগাহ্পট্টি

২. আবদুর রহিম

পিতা আহমতুল্লা

দরগাহ্পট্টি

৩. আকবরী বেগম

স্বামী আবদুর রহিম

দরগাহ্পট্টি

৪. রাবেয়া বেগম

স্বামী আবদুর রহিম

দরগাহ্পট্টি

৫. আনোয়ারী বেগম

স্বামী কলিম উদ্দিন

দরগাহ্পট্টি

৬. নাসিম উদ্দিন

পিতা আবদুর রহিম

দরগাহ্পট্টি

৭. আনোয়ারা খাতুন

স্বামী কলিম উদ্দিন

দরগাহ্পট্টি

৮. হালু বেগম

স্বামী ছান্নু মিয়া

দরগাহ্পট্টি

 

শহরতলীর ধীতপুর ও নতুন ভাঙ্গাবাড়ি গণহত্যা

১৯৭১’র ১৭ই এপ্রিল সিরাজগঞ্জ শহর দখল করে মুক্তিবাহিনীর খোঁজে শহরতলীর ধীতপুর ও নতুন ভাঙ্গাবাড়িতে হানা দিয়ে ১৫ জন নারী ও পুরুষ ধরে এনে ধীতপুর খালের ধারে নিয়ে সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করিয়ে গুলি করে হত্যা করে।

১. ইয়াসিন আলী শেখ

পিতা মৃত সাজা শেখ

ধীতপুর আলাল

২. শফি শেখ

পিতা মৃত মহুরী কোরবান শেখ

ধীতপুর আলাল

৩. ইসমাইল শেখ

পিতা মৃত জুববার আলী শেখ

ধীতপুর আলাল

৪. সুজাব আলী খান

পিতা মৃত আবদুল জলিল খান

ধীতপুর আলাল

৫. রহিম বক্স তালুকদার

পিতা মৃত আলা বক্স তালুকদার

ধীতপুর আলাল

৬. ছমিতন নেছা

স্বামী রহিম বক্স তালুকদার

নতুৃন ভাঙ্গাবাড়ি

৭. নুরুন্নাহার

পিতা মৃত রহিম বক্স তালুকদার

নতুন ভাঙ্গাবাড়ি

৮. তাকমিনা খাতুন

পিতা মৃত ইছাল শেখ

নতুন ভাঙ্গাবাড়ি

৯. চান বিবি

স্বামী মৃত ইছাল শেখ

নতুন ভাঙ্গাবাড়ি

১০. আবুল হোসেন প্রামানিক

পিতা মৃত ফয়েজ উদ্দিন প্রামানিক

নতুন ভাঙ্গাবাড়ি

১১. শুকুর আলী প্রামানিক

পিতা মৃত নাজু প্রামানিক

নতুন ভাঙ্গাবাড়ি

১২. বন্দে আলী খান

পিতা অজ্ঞাত

 

১৩. সোনাদুল শেখ

পিতা মৃত মমতাজ আলী শেক

নলছাপাড়া

১৪. মহির উদ্দিন শেখ

পিতা মৃত রহিম বক্স শেখ

নলছাপাড়া

১৫. শামসুন্নাহার

স্বামী মৃত আজিজল হক

ফকিরতলা।

কাজিপুর থানার বরইতলা গ্রামে গণহত্যা

কাজিপুর থানার একটি দুর্গম গ্রাম বরইতলা গ্রাম। ১৯৭১’র মুক্তিবাহিনীর ছিল নিরাপদ আশ্রয়স্থল। ১৯৭১’র ১৩ই নভেম্বর মুক্তিবাহিনী এ গ্রামে আশ্রয় নেয়। কাজিপুরের শান্তি কমিটি ও রাজাকার বাহিনী পাকিস্তানী বাহিনীকে খবর দেয়। রাতের অন্ধকারে পাকিস্তানী সৈনিক ও রাজাকার বাহিনী বরইতলা গ্রাম ঘেরাও দেয় এবং নির্বিচারে গুলি চালাতে থাকে। ইতস্তত বিক্ষিপ্তভাবে ছড়িয়ে থাকা মুক্তিবাহিনীর অস্ত্র গর্জে উঠে। রাতভর যুদ্ধের পর পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর অস্ত্র স্তব্ধ হয়ে যায়। দিনভর যুদ্ধের পর মুক্তিবাহিনীর গোলাবারুদ ফুরিয়ে গেলে পিছু হটে। পাকিস্তানীরা গ্রামের বাড়ি বাড়ি ঢুকে নারী ও পুরুষ ও শিশুদের নির্বিবাদে গুলি করে হত্যা করে ৭৬ জন বাঙালী সন্তানকে হত্যা করে। অধিকাংশ মানুষকে হত্যার পর গ্রামে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং অনেককে আগুনে নিক্ষেপ করেছে। নিহতরা হচ্ছেন :


১. আমজাদ আলী

পিতা সাহেব আলী মন্ডল

বরইতলা

২. পন্ডিতা সরকার

পিতা সৈয়দ আলী সরকার

বরইতলা

৩. আবেদ আলী সরকার

পিতা সৈয়দ আলী সরকার

বরইতলা

৪. শামছুল হক

পিতা আবদুর রহিম বক্স

বরইতলা

৫. পন্ডিতা মন্ডল

পিতা ওমর আলী মন্ডল

বরইতলা

৬. মেহের বক্স

পিতা আজিতুল­াহ

বরইতলা

৭. করিম বক্স

পিতা আজিতুল­াহ

বরইতলা

৮. এজাহার আলী

পিতা মহির উদ্দিন

বরইতলা

৯. রিয়াজ উদ্দিন

পিতা আয়ান আকন্দ

বরইতলা

১০. ইদ্রিস আলী

পিতা ইউসুফ আলী

বরইতলা

১১. মানিক উল্যা

পিতা মীর বক্স

বরইতলা

১২. আজাহার আলী

পিতা মানিক উল্যা

বরইতলা

১৩. আবুল হোসেন

পিতা ওমর আলী মন্ডল

বরইতলা

১৪. আহাম্মদ আলী মন্ডল

পিতা রমজান আলী মন্ডল

বরইতলা

১৫. ছাবেদ আলী আকন্দ

পিতা হোসেন আলী

বরইতলা

১৬. হাসান আলী জোয়ারদার

পিতা শামসুল হক জোয়ারদার

বরইতলা

১৭. শামসুল হক সরকার

পিতা জমশের আলী সরকার

বরইতলা

১৮. আবদুল কুদ্দুস সরকার

পিতা শামসুল হক সরকার

বরইতলা

১৯. মোকতেল হোসেন

পিতা মহির উদ্দিন

বরইতলা

২০. আবু কালাম

পিতা মহির উদ্দিন

বরইতলা

২১. মহির উদ্দিন

পিতা আছম উদ্দিন

বরইতলা

২২. আবু সাইদ আকন্দ

পিতা মৌলভী আবদুর রহিম

বরইতলা

২৩. সইম উদ্দিন খলিফা

পিতা আজিতুল­াহ

বরইতলা

২৪. হাবিবুর রহমান

পিতা এশারত আলী সোনারু

বরইতলা

২৫. আমজাদ হোসেন

পিতা সাকার আলী

বরইতলা

২৬. সিরাজ উদ্দিন

পিতা ময়েজ উদ্দিন

বরইতলা

২৭. লোকমান হোসেন

পিতা হাজী ফকির মাহমুদ

বরইতলা

২৮. গোলজার হোসেন

নানা হাসান আলী সরকার

বর্মগাছা

২৯. করিম বক্স জোয়ারদার

পিতা কলিম উদ্দিন জোয়ারদার

বরইতলা

৩০. সফর আলী

পিতা আনা বক্স

বরইতলা

৩১. আনিছুর রহমান

পিতা জেল হোসেন

বরইতলা

৩২. জেল হোসেন

পিতা ইজ্জত হোসেন

বরইতলা

৩৩. আবদুল রহমান

পিতা নুরা খলিফা

বরইতলা

৩৪. সুজাবত আলী

পিতা মোহের বক্স

বরইতলা

৩৫. দেরাজ উদ্দিন

পিতা কছিম উদ্দিন ফৈরাদী

বরইতলা

৩৬. মোজাহার আলী

পিতা খয়ের উল­াহ

বরইতলা

৩৭. ছাবেদ আলী

পিতা রমজান আলী মন্ডল

বরইতলা

৩৮. আবদুল মজিদ

পিতা জবান আলী

বরইতলা

৩৯. ইছাহাক আলী

পিতা ইব্রাহিম আলী

বরইতলা

৪০. মোহাম্মদ আলী

পিতা খবর আলী কর্মকার

বরইতলা

৪১. আবদুল সালাম

পিতা সবদেব আলী

বরইতলা

৪২. আফজাল হোসেন

পিতা আলিম উদ্দিন মিস্ত্রি

বরইতলা

৪৩. নূরুল ইসলাম

পিতা ফাজেল করিম

বরইতলা

৪৪. তোছের আলী

পিতা রহমত উল­াহ

বরইতলা

৪৫. মোজাহার আলী

পিতা আজগর আলী আকন্দ

বরইতলা

৪৬. মোহাম্মদ আলী (মামুদ আলী)

পিতা রহমত উল­াহ

বরইতলা

৪৭. আবেদ আলী

পিতা অজ্ঞাত

বরইতলা

৪৮. মেহের আলী

পিতা অজ্ঞাত

বরইতলা

৪৯. আজিজুল হক

পিতা অজ্ঞাত

বরইতলা

৫০. আবেদ আলী

পিতা অজ্ঞাত

বরইতলা

৫১. বরকত আলী

পিতা হায়াত মাহমুদ

বরইতলা

৫২. কোরবান আলী

পিতা অজ্ঞাত

বরইতলা

৫৩. কছির উদ্দিন আকন্দ

পিতা কলিম উদ্দিন আকন্দ

বরইতলা

৫৪. আবদুল হাকিম

পিতা হাজী মানিক উল্লাহ

বরইতলা

৫৫. মালেকা খাতুন

পিতা ফাজেল করিম

বরইতলা

৫৬. সুফিয়া খাতুন

পিতা কছির উদ্দিন আকন্দ

বরইতলা

৫৭. কদবানু

পিতা আকজাল হোসেন

বরইতলা

৫৮. জয়গুন বেগম

পিতা আজিজ উল­াহ ফকির

বরইতলা

৫৯. নইম উদ্দিন আকন্দ

পিতা রহিজ উদ্দিন আকন্দ

বরইতলা

৬০. শামসুল কাদের আকন্দ

পিতা হাজী আহাম্মদ আলী

বরইতলা

৬১. আবদুল রহমান আকন্দ

পিতা শাহের আলী আকন্দ

বরইতলা

৬২. আবদুর রহমান আকন্দ

পিতা শাহের আলী আকন্দ

বরইতলা

৬৩. ইজ্জত আলী আকন্দ

পিতা সাবান আলী আকন্দ

বরইতলা

৬৪. জবান আলী আকন্দ

পিতা সাবান আলী আকন্দ

বরইতলা

৬৫. জবান আলী আকন্দ

পিতা সাবান আলী আকন্দ

বরইতলা

৬৬. আবদুল মজিদ

পিতা ইজ্জত আলী আকন্দ

বরইতলা

৬৭. সন্তোষ আলী

পিতা অজ্ঞাত

বরইতলা

৬৮. নুরুল ইসলাম

পিতা অজ্ঞাত

বরইতলা

৬৯. আফজাল হোসেন

পিতা হাদুল­াহ

বরইতলা

৭০. মানিক উল­াহ

পিতা মোনসব আলী

বরইতলা

৭১. কোরবান আল গুঠু

পিতা সাবেদ আলী

বরইতলা

৭২. আজগর আলী আকন্দ

পিতা কিতাব আলী আকন্দ

বরইতলা

৭৩. মফিজ উদ্দিন

পিতা অজ্ঞাত

বরইতলা

৭৪. আবদুর রহমান

পিতা অজ্ঞাত

বরইতলা

৭৫. চাঁন মিঞা

পিতা অজ্ঞাত

খামারপাড়া

৭৬. হারুনুর রশীদ মাস্টার

পিতা অজ্ঞাত

সিংড়াপাড়া।

কামারখন্দ থানার ভদ্রঘাট ও ধামকোল গণহত্যা

আবদুল লতিফ মির্জার নেতৃত্বে ভদ্রঘাট গ্রামে পলাশডাঙ্গা যুবশিবির প্রতিষ্ঠা করে কয়েকশ’ মুক্তিযোদ্ধা নিয়ে ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছিল। ১৯৭১’র ১৩ই জুন ভোরে পাকিস্তানী সৈন্য ভদ্রঘাট অভিযান চালায়। তখন মসজিদ থেকে আজান শোনা যাচ্ছিল। ঘুমন্ত মুক্তিবাহিনী গুলির শব্দে জেগে উঠে এবং প্রতিরোধ গড়ে তোলে। দিনভর যুদ্ধের পর মুক্তিবাহিনী পিছু হটে। ১৪ই জুন রাজাকারদের সাথে নিয়ে পাকিস্তানী সৈন্যরা গ্রাম ঘেরাও গুলিবর্ষণ করে এবং গ্রামটি জ্বালিয়ে দেয়। এখানে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল ১৯ জন বঙ্গ সন্তানকে। নিহতরা হচ্ছেন :

১. রাখাল চন্দ্র বসাক

পিতা মৃত ষষ্ঠি চন্দ্র বসাক

মধ্যভদ্রঘাট

২. জ্যোতিন্দ্র নাথ বসাক

পিতা মৃত যুধিষ্ঠির বসাক

মধ্যভদ্রঘাট

৩. আবু তালেব খান

পিতা মৃত মোয়াজ্জেম হোসেন খান

মধ্যভদ্রঘাট

৪. ছাদেক আলী খান

পিতা মৃত মাধু শেখ

মধ্যভদ্রঘাট

৫. সগেদ আলী শেখ

পিতা মৃত ছবের আলী শেখ

ক্ষিদ্র ভদ্রঘাট

৬. কাজলী বেগম

স্বামী আছর উদ্দিন শেখ

ক্ষিদ্র ভদ্রঘাট

৭. জয়নাল আবেদীন

পিতা মৃত সাহেব আলী

ক্ষিদ্র ভদ্রঘাট

৮. আবদুল গফুর প্রামানিক

পিতা মৃত চান্দুল্লা প্রামানিক

ক্ষিদ্র ভদ্রঘাট

৯. মছের উদ্দিন সরকার

পিতা মৃত ইউসুফ আলী সরকার

ধামকোল

১০. মাদার বক্স সরকার

পিতা মৃত ইউসুফ আলী সরকার

ধামকোল

১১. লুৎফর রহমান সরকার

পিতা মৃত মছের উদ্দিন সরকার

ধামকোল

১২. আবদুর রশিদ সরকার

পিতা লুৎফর রহমান সরকার

ধামকোল

১৩. আছের উদ্দিন শেখ

পিতা মৃত পচা শেখ

ধামকোল

১৪. মতিয়ার রহমান মংলা

পিতা মৃত পচা শেখ

ধামকোল

১৫. ফজল শেখ

পিতা মৃত পচা শেখ

ধামকোল

১৬. শাহজাহান আলী শেখ

পিতা আছের উদ্দিন শেখ

ধামকোল

১৭. কাফি মন্ডল

পিতা ইউসুফ আলী মন্ডল

ধামকোল

১৮. হবিবর রহমান

পিতা মৃত সাধু সরকার

ধামকোল

১৯. রওশন আলী

পিতা অজ্ঞাত

উদয় কৃষ্ণপুর।

ভাটপিয়ারী গণহত্যা

সিরাজগঞ্জের সদর থানার একটি গ্রাম ভাটপিয়ারী। শহর থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরের একটি গ্রাম। এ গ্রামের নামকরা একটি হাইস্কুল ভাটপিয়ারী উচ্চ বিদ্যালয়। এই স্কুলে পাকিস্তানী ক্যাম্প স্থাপন করে। এ ক্যাম্পে ছিল পাঞ্জাব রেজিমেন্টের সৈনিকসহ মিলিশিয়া ও রাজাকার মিলে প্রায় একশ’ সৈনিক অবস্থান নিয়েছিল। এলাকার লোকজনকে ধরে এনে মুক্তিবাহিনীর খবর দিতে চাপ দেয়। এলাকায় ছিল মুক্তিবাহিনীর গেরিলা বাহিনী বিএলএফ (মুজিব বাহিনী)। ১৭ই রমজান ১৯৭১’র ১৬ই নভেম্বর বিএলএফ গেরিলা বাহিনী ক্যাম্প আক্রমণ করে ৫০ জন পাকিস্তানী সৈনিকসহ ৪০ জন রাজাকারকে পরাস্ত ও হত্যা করে বিপুল পরিমাণ অস্ত্রশস্ত্র কেড়ে নেয়। এই যুদ্ধে বিএলএফ কমান্ডের গেরিলা আমিনুল ইসলাম চৌধুরী ও আবদুল মোতালেব আহত হয়। পরাজয়ের গ্লানি সহ্য করতে না পেরে গ্রাম ঘেরাও করে ৯ জনকে ধরে নিয়ে যায়। গ্রামের নিকটস্থ যমুনা নদীর পাড়ে হাত পা চোখ বেঁধে হত্যা করে নদীতে নিক্ষেপ করে। এদের মধ্যে ৬ জনের লাশ পাওয়া যায়নি। নিহতরা হচ্ছেন :

১. আবদুস সোবাহান

পিতা মৃত কেফাত উদ্দিন ব্যবসায়ী

ভাটপিয়ারী

২. স্কুল শিক্ষক আওয়ামীলীগ নেতা আবদুল হামিদ

পিতা মৃত জাবেদ আলী

ভাটপিয়ারী

৩. মতিয়ার রহমান

পিতা জাবেদ আলী

ভাটপিয়ারী

৪. হাবিবুর রহমান দিনমজুর

পিতা অজ্ঞাত

ভাটপিয়ারী

৫. আবুল হোসেন

পিতা কছিম উদ্দিন

ভাটপিয়ারী

৬. মইশা শেখ মজুর

পিতা অজ্ঞাত

ভাটপিয়ারী

৭. ওসমান আলী

পিতা অজ্ঞাত

ভাটপিয়ারী

৮. আবদুল আজিজ

পিতা বন্দে আলী

ভাটপিয়ারী

৯. আয়নাল হক

পিতা বিদেশী

ভাটপিয়ারী

রায়গঞ্জ থানার ভুইয়াগাঁতী গণহত্যা

১৯৭১’র ২৬শে এপ্রিল আলবদর বাহিনীর নেতৃত্বে পাকিস্তান দখলকার বাহিনী রায়গঞ্জ থানার ভুইয়াগাঁতী গ্রামে অভিযান চালিয়ে ২০ জন নিরীহ বাঙালীকে ধরে একসাথে বেঁধে ফুলজোড় নদী পাড়ে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। ভুইয়াগাঁতী গ্রামটি ছিল হিন্দু অধ্যুষিত গ্রাম। নিহতরা হচ্ছেন :

১. পুন্য চন্দ্র শীল

পিতা গৌর চন্দ্র শীল

ভুইয়াগাঁতী

২. রবীন্দ্র চন্দ্র শীল

পিতা কান্দু নাথ মারী

ভুইয়াগাঁতী

৩. গৌর চন্দ্র শীল

পিতা ফকির চন্দ্র শীল

ভুইয়াগাঁতী

৪. ফুরকি বালা দাস

স্বামী গোপীনাথ দাস

ভুইয়াগাঁতী

৫. আবদুল গনি শেখ

পিতা মনা শেখ

ভুইয়াগাঁতী

৬. কালু শেখ

পিতা জনাব আলী শেখ

ভুইয়াগাঁতী

৭. জহির উদ্দিন শেখ

পিতা জনাব আলী শেখ

ভুইয়াগাঁতী

৮. হারান শেখ

পিতা আবদুল করিম শেখ

ভুইয়াগাঁতী

৯. মুজাহার আলী শেখ

পিতা পাচু শেখ

ভুইয়াগাঁতী

১০. জিন্নাত আলী শেখ

পিতা যাদু শেখ

ভুইয়াগাঁতী

১১. নগেন উল­া

পিতা এনায়েত উল­া

ভুইয়াগাঁতী

১২. জাবেল হক

পিতা মজিবর রহমান

ভুইয়াগাঁতী

১৩. কলিম উদ্দিন শেখ

পিতা পন্ডিত উল­াহ শেখ

ভুইয়াগাঁতী

১৪. মীর বক্স প্রামানিক

পিতা পোড়া বক্স শেখ

ভুইয়াগাঁতী

১৫. মদনমোহন রায়

পিতা অজ্ঞাত

ভুইয়াগাঁতী

১৬. মনমোহন রায়

পিতা মদনমোহন রায়

ভুইয়াগাঁতী

১৭. দীনেশ চন্দ্র রায়

পিতা অজ্ঞাত

ভুইয়াগাঁতী

১৮. রাধা কান্ত রায়

পিতা অজ্ঞাত

ভুইয়াগাঁতী

১৯. মঙ্গলা বৈরাগী

পিতা অজ্ঞাত

ভুইয়াগাঁতী

২০. সুরেন মোদক

পিতা অজ্ঞাত

ভুইয়াগাঁতী।

শিয়ালকোল গণহত্যা

১৯৭১’র ২০শে এপ্রিল মুক্তিবাহিনীর বিরুদ্ধে জনমত গঠনের জন্য পাকিস্তানী সেনা ও রাজাকারের প্রটেকশন নিয়ে শিয়ালকোল গ্রামে জনসভা করে জেলা শান্তি কমিটির নেতারা। এ জনসভায় না আসার জন্য বিকেলে ৭ জন নিরীহ ব্যক্তিকে ধরে এনে শিয়ালকোল বাজারে একসাথে বেঁধে ব্রাশফায়ার করে হত্যা করে। নিহতরা হচ্ছেন :

১. মণীন্দ্র নাথ দাস

পিতা ফটিক চন্দ্র দাস

শিয়ালকোল

২. সুঠু চন্দ্র দাস

পিতা ভবানী চন্দ্র দাস

শিয়ালকোল

৩. প্রেম চন্দ্র দাস

পিতা কীষ্ট চরণ দাস

শিয়ালকোল

৪. শিব সুজন দাস

পিতা গোপী দাস

শিয়ালকোল

৫. গেন্দু দাস

পিতা অজ্ঞাত

শিয়ালকোল

৬. আবদুল মোমেন

পিতা অজ্ঞাত

শিয়ালকোল

সুইপার কলোনীর গণহত্যা

মুক্তিযুদ্ধের সমর্থনে কাজ করার জন্য মে মাসের দিকে প্রকাশ্য দিনের বেলায় কলোনীতে ঢুকে রাজাকার বিহারী ও পাকিস্তানী বাহিনী ৬ জন সুইপারসহ এলাকার দু’জন নিরীহ বাঙালীকে হত্যা করেছে। নিহতরা হচ্ছেন :

১. সোন্দর চন্দ্র দাস

পিতা সুবল চন্দ্র দাস

সুইপার কলোনী

২. প্রতাপ চন্দ্র দাস

পিতা সোন্দর দাস

সুইপার কলোনী

৩. নন্দলাল দাস

পিতা সোন্দর দাস

সুইপার কলোনী

৪. কোকিলা দাস

পিতা সোন্দর দাস

সুইপার কলোনী

৫. বালা চন্দ্র দাস

পিতা সোন্দর দাস

মাহমুদপুর

৬. আফছার আলী

পিতা অজ্ঞাত

সরকারপাড়া

৭. মুর্তজ আলী

পিতা অজ্ঞাত

রায়পুর।

৮. কুদু মিয়া

পিতা অজ্ঞাত

 

জেটি ঘাটের গণহত্যা

জেটি ঘাটে গণহত্যা। ১৯৭১’র ১৩ই মে জেটি ঘাটে হানা দিয়ে ১২ জন নিরীহ বাঙালীকে ধরে এনে নির্মমভাবে হত্যা করে। জেটি ঘাটের এক হিন্দু ব্যবসায়ীর বাড়িতে শহর ছেড়ে আশ্রয় নিয়েছিল। নিহতরা হচ্ছেন :

১. কানাই লাল সাহা

পিতা জ্যোতিন্দ্র মোহন সাহা

বয়ড়াপাড়া

২. গোপাল সাহা

পিতা জ্যোতিন্দ্র মোহন সাহা

বয়ড়াপাড়া

৩. প্রাণগোপাল সাহা

পিতা জ্যোতিন্দ্র মোহন সাহা

বয়ড়াপাড়া

৪. বলাই চন্দ্র সাহা

পিতা রাধিকা লাল সাহা

বয়ড়াপাড়া

৫. মতিলাল দে

পিতা বনবাসী দে

বয়ড়াপাড়া

৬. যতীন্দ্রনাথ সাহা

পিতা মধু সাহা

বয়ড়াপাড়া

৭. কালী সাহা

পিতা অজ্ঞাত

বয়ড়াপাড়া

৮. ক্ষেত্রনাথ চক্রবর্তী

পিতা তুফান চক্রবর্তী

বয়ড়াপাড়া

৯. ভবেশ সাহা

পিতা অজ্ঞাত

সিরাজগঞ্জ

১০. ভজ গোবিন্দ সাহা

পিতা অজ্ঞাত

সিরাজগঞ্জ

১১. নিরঞ্জন প্রামানিক

পিতা মাধাই প্রামানিক

সিরাজগঞ্জ

১২. ডাঃ নীলমনি প্রামানিক

পিতা মাধাই প্রামানিক

সিরাজগঞ্জ

১৩. সেন্টু প্রামানিক

পিতা মাধাই প্রামানিক

সিরাজগঞ্জ

১৪. গোড়াচাঁদ প্রামানিক

পিতা ডাঃ নীলমনি প্রামানিক

সিরাজগঞ্জ

১৫. উত্তম প্রামানিক

পিতা ডাঃ নীলমনি প্রামানিক

সিরাজগঞ্জ

১৬. রবি সাহা

পিতা অজ্ঞাত

সিরাজগঞ্জ

১৭. আবদুস সোবাহান

পিতা অজ্ঞাত

সিরাজগঞ্জ।

সিরাজগঞ্জ শহরে গণহত্যা

১৭ই এপ্রিল সিরাজগঞ্জ দখল করেই পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী শুরু করে গণহত্যা। গণহত্যা আতঙ্কে শহরের ৮০ ভাগ নর, নারী ও শিশু শহর ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে গ্রামে চলে গিয়েছিল। ২/৪টি পরিবার শহরেই অবস্থান করছিলেন। সকালে ঐসব পরিবারের বাড়ি বাড়ি হানা দিয়ে ধরে এনে প্রকাশ্য রাস্তায় কাউকে বেয়োনেট দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে হত্যা করা হয়েছে। অনেককে মাটিতে জীবন্ত পুঁতে রাখা হয়েছিল। নিহতরা হচ্ছেন :

১. আবুল হোসেন

 

দিয়ারধানগড়া

২. জিন্নাত আলী

 

সিরাজগঞ্জ কলেজ ক্যান্টিনের মালিক

৩. রতন মিয়া

 

রিকশাচালক, দিয়ারধানগড়া

৪. বনি আমিন

 

ছাত্র, আমলাপাড়া

৫. জ্যোতি মিয়া

 

রেশন দোকানের মালিক, হোসেনপুর।

উল্লাপাড়া থানার চড়িয়াশিকা ও পাটধারী গণহত্যা

সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করিয়ে হত্যা করা হয় ১৩৮ জন বাঙালী সন্তানকে। নিহতরা হলেন :

১. ডাঃ মজিবর রহমান

পিতা মৃত অরফ আলী

চড়িয়া মধ্যপাড়া

২. ডাঃ শাহজাহান মন্ডল

পিতা মৃত আলিম উদ্দিন মন্ডল

চড়িয়া মধ্যপাড়া

৩. আমানত আলী

পিতা মৃত মজিবর রহমান

চড়িয়া মধ্যপাড়া

৪. আবদুল কাইয়ুম মন্ডল

পিতা মৃত তোমেজ উদ্দিন মন্ডল

চড়িয়া মধ্যপাড়া

৫. আতাব আলী প্রামানিক

পিতা মৃত যাদু প্রামানিক

চড়িয়া মধ্যপাড়া

৬. তারা প্রামানিক

পিতা মৃত আতাব আলী প্রামানিক

চড়িয়া মধ্যপাড়া

৭. আবেদ আলী প্রামানিক

পিতা মৃত বাবর আলী প্রামানিক

চড়িয়া মধ্যপাড়া

৮. দারোগ আলী প্রামানিক

পিতা মৃত সাবান আলী প্রামানিক

চড়িয়া মধ্যপাড়া

৯. আবু তাহের প্রামানিক

পিতা মৃত আবেদ আলী প্রামানিক

চড়িয়া মধ্যপাড়া

১০. আবদুল আজিজ

পিতা মৃত নওশের আলী

চড়িয়া মধ্যপাড়া

১১. আবু বকর প্রামানিক

পিতা মৃত আগর আলী প্রামানিক

চড়িয়া মধ্যপাড়া

১২. শাহজাহান আলী সরকার

পিতা মৃত ইয়ার উদ্দিন সরকার

চড়িয়া মধ্যপাড়া

১৩. তারা সরকার

পিতা মৃত ইয়ার উদ্দিন সরকার

চড়িয়া মধ্যপাড়া

১৪. মোহাম্মদ আলী সরকার

পিতা মৃত ইয়ার উদ্দিন সরকার

চড়িয়া মধ্যপাড়া

১৫. কানছু সরকার

পিতা মৃত দেলোয়ার সরকার

চড়িয়া মধ্যপাড়া

১৬. গগন মন্ডল

পিতা মৃত ইসমাইল হোসেন মন্ডল

চড়িয়া মধ্যপাড়া

১৭. ইউসুফ আলী মন্ডল

পিতা মৃত ইসমাইল হোসেন মন্ডল

চড়িয়া মধ্যপাড়া

১৮. ছলিম উদ্দিন

পিতা মৃত কোরবান আলী

চড়িয়া মধ্যপাড়া

১৯. মেছের উদ্দিন মুন্সী

পিতা মৃত এশারত আলী

চড়িয়া মধ্যপাড়া

২০. আজিজল হক

পিতা মৃত মেছের উদ্দিন মুন্সী

চড়িয়া মধ্যপাড়া

২১. আদম আলী

পিতা মৃত মেছের উদ্দিন মুন্সী

চড়িয়া মধ্যপাড়া

২২. বাহাজ উদ্দিন আকন্দ

পিতা মৃত রহিজ উদ্দিন আকন্দ

চড়িয়া মধ্যপাড়া

২৩. ইয়াকুব আলী আকন্দ

পিতা মৃত নজাত আলী আকন্দ

চড়িয়া মধ্যপাড়া

২৪. মাহাম খাঁ

পিতা মৃত অজ্ঞাত

চড়িয়া মধ্যপাড়া

২৫. আবদুস সামাদ

পিতা মৃত দবির উদ্দিন

চড়িয়া মধ্যপাড়া

২৬. আবু তাহের প্রামানিক

পিতা মৃত বাহাদুর প্রামানিক

চড়িয়া মধ্যপাড়া

২৭. আসান আলী

পিতা মৃত মোনসব আলী

চড়িয়া মধ্যপাড়া

২৮. পাওমোছা প্রামানিক

পিতা মৃত আবু তাহের প্রামানিক

চড়িয়া মধ্যপাড়া

২৯. আজগর আলী প্রামানিক

পিতা মৃত জায়েদুল­াহ প্রামানিক

চড়িয়া মধ্যপাড়া

৩০. মজিবর রহমান প্রামানিক

পিতা মৃত আজগর প্রামানিক

চড়িয়া মধ্যপাড়া

৩১. কানছু প্রামানিক

পিতা মৃত অজ্ঞাত

চড়িয়া মধ্যপাড়া

৩২. আবদুল মজিদ প্রামানিক

পিতা মৃত মুন্সী মগরব প্রামানিক

চড়িয়া মধ্যপাড়া

৩৩. আবদুস সাত্তার প্রামানিক

পিতা মৃত আবদুল মজিদ প্রামানিক

চড়িয়া মধ্যপাড়া

৩৪. আবু তালেব প্রামানিক

পিতা মৃত কাদের প্রামানিক

চড়িয়া মধ্যপাড়া

৩৫. আবদুল কাফি

পিতা মৃত মুন্সী বেলায়েত হোসেন

চড়িয়া মধ্যপাড়া

৩৬. শমসের আলী

পিতা মৃত অজ্ঞাত

চড়িয়া মধ্যপাড়া

৩৭. হাকিম উদ্দিন

পিতা মৃত শমসের আলী

চড়িয়া মধ্যপাড়া

৩৮. ফজলার রহমান প্রামানিক

পিতা মৃত অজ্ঞাত

চড়িয়া মধ্যপাড়া

৩৯. আবদুল আজিজ

পিতা মৃত অজ্ঞাত

চড়িয়া মধ্যপাড়া

৪০. ছানু ফকির

পিতা মৃত অজ্ঞাত

চড়িয়া মধ্যপাড়া

৪১. তারা প্রামানিক

পিতা মৃত অজ্ঞাত

চড়িয়া মধ্যপাড়া

৪২. আবদুস সামাদ

পিতা মৃত অজ্ঞাত

চড়িয়া মধ্যপাড়া

৪৩. ঠান্ডু ফকির

পিতা মৃত কছিম উদ্দিন ফকির

চড়িয়া দক্ষিণ

৪৪. আহেজ আলী

পিতা মৃত রহিজ উদ্দিন

চড়িয়া দক্ষিণ

৪৫. হারান আলী সরকার

পিতা মৃত আববাস আলী সরকার

চড়িয়া দক্ষিণ

৪৬. মোজাহের প্রামানিক

পিতা মৃত পর্বত আলী প্রামানিক

চড়িয়া দক্ষিণ

৪৭. আবেদ আলী শেখ

পিতা মৃত কেফাত আলী শেখ

চড়িয়া দক্ষিণ

৪৮. সোবাহান প্রামানিক

পিতা মৃত কেফাত প্রামানিক

চড়িয়া দক্ষিণ

৪৯. জুববার আলী খাঁ

পিতা মৃত নয়ান উদ্দিন খাঁ

চড়িয়া দক্ষিণ

৫০. আছাব আলী প্রামানিক

পিতা মৃত কছের আলী প্রামানিক

চড়িয়া দক্ষিণ

৫১. বাহাজ উদ্দিন প্রামানিক

পিতা মৃত হেমায়েত প্রামানিক

চড়িয়া দক্ষিণ

৫২. হাতেম আলী প্রামানিক

পিতা মৃত হেমায়েত প্রামানিক

চড়িয়া দক্ষিণ

৫৩. মুজাহার আলী

পিতা মৃত এলাহী বক্স

চড়িয়া দক্ষিণ

৫৪. আবদুস সামাদ

পিতা মৃত মুজাহার আলী

চড়িয়া দক্ষিণ

৫৫. গোলবার হোসেন শেখ

পিতা মৃত অজ্ঞাত

চড়িয়া দক্ষিণ

৫৬. চান্দুল­াহ শেখ

পিতা মৃত ওফাত শেখ

চড়িয়া দক্ষিণ

৫৭. আবদুল কুদ্দুস সরকার

পিতা মৃত রহিম বক্স সরকার

চড়িয়া দক্ষিণ

৫৮. আছাব আলী প্রামানিক

পিতা মৃত কছের উদ্দিন প্রামানিক

চড়িয়া দক্ষিণ

৫৯. আকবর আলী শেখ

পিতা মৃত নূরাল শেখ

চড়িয়া দক্ষিণ

৬০. নাকা গোলবার শেখ

পিতা মৃত নূরাল শেখ

চড়িয়া দক্ষিণ

৬১. জাবেদ আলী মন্ডল

পিতা মৃত মোহাম্মদ আলী মন্ডল

চড়িয়া দক্ষিণ

৬২. নজাব উদ্দিন শেখ

পিতা মৃত গোমর আলী শেখ

চড়িয়া দক্ষিণ

৬৩. শশীভূষণ বসাক

পিতা মৃত অজ্ঞাত

চড়িয়া কালীবাড়ি

৬৪. কালীচরণ বসাক

পিতা মৃত অজ্ঞাত

চড়িয়া কালীবাড়ি

৬৫. দ্যুতিরাম বসাক

পিতা মৃত অজ্ঞাত

চড়িয়া কালীবাড়ি

৬৬. কৃষ্ণ চন্দ্র বসাক

পিতা মৃত অজ্ঞাত

চড়িয়া কালীবাড়ি

৬৭. পঞ্চানন বসাক

পিতা মৃত কেশব চন্দ্র বসাক

চড়িয়া কালীবাড়ি

৬৮. চিত্তরঞ্জন বসাক

পিতা মৃত অজ্ঞাত

চড়িয়া কালীবাড়ি

৬৯. সুজাবত আলী শেখ

পিতা মৃত ভ্রমর শেখ

চড়িয়া কালীবাড়ি

৭০. আজাহার আলী

পিতা মৃত মোকছেদ আলী মুন্সী

চড়িয়া কালীবাড়ি

৭১. ফজলার রহমান

পিতা মৃত হারান মুন্সী

চড়িয়া কালীবাড়ি

৭২. মুকতার হোসেন সরকার

পিতা মৃত মুনজিল সরকার

চড়িয়া কালীবাড়ি

৭৩. মুনজিল হোসেন সরকার

পিতা মৃত অজ্ঞাত

চড়িয়া কালীবাড়ি

৭৪. ইনজিল হোসেন সরকার

পিতা মৃত অজ্ঞাত

চড়িয়া কালীবাড়ি

৭৫. জাকের আলী সরকার

পিতা মৃত মনসব আলী সরকার

চড়িয়া কালীবাড়ি

৭৬. ওসমান আলী সরকার

পিতা মৃত মনসব আলী সরকার

চড়িয়া কালীবাড়ি

৭৭. হাবিবুর রহমান শেখ

পিতা মৃত আবদুল জুববার শেখ

চড়িয়া কালীবাড়ি

৭৮. জান বক্স

পিতা মৃত অজ্ঞাত

চড়িয়া কালীবাড়ি

৭৯. সোহরাব আলী শেখ

পিতা মৃত অজ্ঞাত

চড়িয়া কালীবাড়ি

৮০. শুকুর মাহমুদ শেখ

পিতা মৃত ভ্রমর শেখ

চড়িয়া কালীবাড়ি

৮১. সোহরাব আলী

পিতা মৃত অজ্ঞাত

চড়িয়া কালীবাড়ি

৮২. শাহেদ আলী খন্দকার

পিতা মৃত বছির উদ্দিন খন্দকার

চড়িয়া কালীবাড়ি

৮৩. হাবিবুর রহমান

পিতা মৃত অজ্ঞাত

চড়িয়া কালীবাড়ি

৮৪. আবদুর রহমান প্রামানিক

পিতা মৃত অজ্ঞাত

চড়িয়া কালীবাড়ি

৮৫. দেলবর হোসেন খাঁ

পিতা মৃত এনছাব আলী খাঁ

চড়িয়া কালীবাড়ি

৮৬. বাহাতন নেছা

স্বামী মৃত বছির উদ্দিন খন্দকার

চড়িয়া কালীবাড়ি

৮৭. কেশব চন্দ্র বসাক

পিতা মৃত অজ্ঞাত

চড়িয়া কালীবাড়ি

৮৮. আবু বকর শেখ

পিতা মৃত হারান মুন্সী

চড়িয়া কালীবাড়ি

৮৯. নূর মোহাম্মদ ফকির

পিতা মৃত হারান ফকির

চড়িয়া কালীবাড়ি

৯০. আবদুল কুদ্দুস

পিতা মৃত অজ্ঞাত

চড়িয়া কালীবাড়ি

৯১. তমিজ উদ্দিন খন্দকার

পিতা মৃত অজ্ঞাত

চড়িয়া মগড়াপাড়া

৯২. মুকুল হোসেন

পিতা মৃত অজ্ঞাত

চড়িয়া মগড়াপাড়া

৯৩. শাহজাহান আলী

পিতা মৃত অজ্ঞাত

চড়িয়া মগড়াপাড়া

৯৪. পুটু মিঞা

পিতা মৃত অজ্ঞাত

চড়িয়া মগড়াপাড়া

৯৫. হাসান আলী

পিতা মৃত অজ্ঞাত

চড়িয়া মগড়াপাড়া

৯৬. আবদুর রহমান

পিতা মৃত অজ্ঞাত

চড়িয়া মগড়াপাড়া

৯৭. সাবান আলী

পিতা মৃত অজ্ঞাত

চড়িয়া মগড়াপাড়া

৯৮. খায়ের আলী

পিতা মৃত অজ্ঞাত

চড়িয়া মগড়াপাড়া

৯৯. মাওলানা রহিম বক্স

পিতা মৃত অজ্ঞাত

চড়িয়া মগড়াপাড়া

১০০. সোহরাব আলী

পিতা মৃত অজ্ঞাত

চড়িয়া মগড়াপাড়া

১০১. আলতাফ হোসেন

পিতা মৃত অজ্ঞাত

চড়িয়া মগড়াপাড়া

১০২. ইয়াকুব হোসেন

পিতা মৃত অজ্ঞাত

চড়িয়া মগড়াপাড়া

১০৩. আবু বকর সিদ্দিক

পিতা মৃত অজ্ঞাত

গোলকপুর

১০৪. আবদুর রহিম বক্স

পিতা মৃত অজ্ঞাত

গোলকপুর

১০৫. আববাস আলী

পিতা মৃত অজ্ঞাত

গোলকপুর

১০৬. ঝড়ু মন্ডল

পিতা মৃত অজ্ঞাত

গোলকপুর

১০৭. ছামান আলী আকন্দ

পিতা মৃত জুববার আলী আকন্দ

পাটধারী

১০৮. আবদুর রশিদ আকন্দ

পিতা মৃত জুববার আলী আকন্দ

পাটধারী

১০৯. আবদুল মজিদ আকন্দ

পিতা মৃত জুববার আলী আকন্দ

পাটধারী

১১০. তাজু আকন্দ

পিতা মৃত হাবিবুল­াহ আকন্দ

পাটধারী

১১১. মোজদার আকন্দ

পিতা মৃত তাজু আকন্দ

পাটধারী

১১২. আবদুস সোবাহান আকন্দ

পিতা মৃত মোজদার আকন্দ

পাটধারী

১১৩. মাহতাব উদ্দিন তালুকদার

পিতা মৃত আসাদ তালুকদার

পাটধারী

১১৪. কাদের তালুকদার

পিতা মৃত খয়েরুজ্জামান তালুকদার

পাটধারী

১১৫. খয়েরুজ্জামান তালুকদার

পিতা মৃত ফসিউদ্দিন তালুকদার

পাটধারী

১১৬. ফণি মীর

পিতা মৃত ঠান্ডা মীর

পাটধারী

১১৭. ননী মীর (এলএলবি)

পিতা মৃত ঠান্ডা মীর

পাটধারী

১১৮. আফসার আলী খন্দকার

পিতা মৃত ইসহাক আলী খন্দকার

পাটধারী

১১৯. গোলাম হোসেন খন্দকার

পিতা মৃত ইসহাক আলী খন্দকার

পাটধারী

১২০. আবদুর রাজ্জাক (টোনা)

পিতা মৃত ইসহাক আলী খন্দকার

পাটধারী

১২১. আতাব উদ্দিন খন্দকার

পিতা মৃত ইসহাক আলী খন্দকার

পাটধারী

১২২. জয়নাল খন্দকার

পিতা মৃত আতাব আলী খন্দকার

পাটধারী

১২৩. রহিম বক্স প্রামানিক

পিতা মৃত অজ্ঞাতা

টধারী

১২৪. সাহেব আলী প্রামানিক

পিতা মৃত রহিম বক্স প্রামানিক

পাটধারী

১২৫. ময়দান ফকির

পিতা মৃত মাদার বক্স ফকির

পাটধারী

১২৬. ঝর্ণা বেগম

স্বামী গোলাম সোহরাব বকুল

পাটধারী

১২৭. আবদুর রহমান ফকির

পিতা মৃত ময়াজ ফকির

পাটধারী

১২৮. আমজাদ তালুকদার খোকা

পিতা মৃত দুলা উদ্দিন তালুকদার

পাটধারী

১২৯. বান্দু প্রামানিক

পিতা মৃত অজ্ঞাত

পাটধারী

১৩০. তারা প্রামানিক (রাজমিস্ত্রি)

পিতা মৃত অজ্ঞাত

পাটধারী

১৩১. জোনাব আলী মন্ডল

পিতা মৃত অজ্ঞাত

পাটধারী

১৩২. মুকুট চৌধুরী

পিতা মৃত মোজাম্মেল হক চৌধুরী

পাটধারী

১৩৩. আবদুর রহিম বক্স

পিতা মৃত অজ্ঞাত

পাটধারী

১৩৪. গোলবার হোসেন শেখ

পিতা মৃত অজ্ঞাত

পাটধারী

 

সম্পাদনায়ঃ জেলা প্রশাসন

 

তথ্য ও গবেষনা সহযোগিতায়ঃ আমিনুল ইসলাম চৌধূরী, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও সাংবাদিক।