মেনু নির্বাচন করুন

কয়ড়া উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ

  • সংক্ষিপ্ত বর্ণনা
  • প্রতিষ্ঠাকাল
  • ইতিহাস
  • প্রধান শিক্ষক/ অধ্যক্ষ
  • অন্যান্য শিক্ষকদের তালিকা
  • ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা (শ্রেণীভিত্তিক)
  • পাশের হার
  • বর্তমান পরিচালনা কমিটির তথ্য
  • বিগত ৫ বছরের সমাপনী/পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল
  • শিক্ষাবৃত্ত তথ্যসমুহ
  • অর্জন
  • ভবিষৎ পরিকল্পনা
  • ফটোগ্যালারী
  • যোগাযোগ
  • মেধাবী ছাত্রবৃন্দ

 

 

কয়ড়া এলাকাটি সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া উপজেলার দূর্গানগর (বর্তমান কয়ড়া ইউনিয়ন) ইউনিয়নের অন্তর্গত ছায়া ঢাকা পাখী ডাকা নিভৃত পল্লী এলাকা।এলাকাটি ২৭টি গ্রাম নিয়ে গঠিত উল্লাপাড়া উপজেলার নিম্নতম অঞ্চল। এলাকাটি ঘন বসতিপূর্ণ নিরাপদ অঞ্চলমুক্তিযুদ্ধের সময়ে উল্লাপাড়া সদরের অনেক জনসাধারণ পাকবাহিনীর দ্বারা অত্যাচারিত হয়ে এই জনপদে আশ্রয় গ্রহণ করে।কয়ড়া বাঘলপুর এই জনপদের একটি ছোট গ্রাম। এই গ্রামে অনেক উচ্চুমনের মানুষের বসবাস। মোঃ রোস্তম আলী সরকার ও মোঃ পামচ সরকার তাদের অন্যতম। তাঁর মেয়ে মোছাঃ শাহানারা খাতুনের লেখাপড়া করার তীব্র ইচ্ছা। তাই পামচ সরকার সাহেব তাঁর মেয়ে শাহানারাকে ২/৩ মাইল দূরের মহিষাখোলা জুনিয়র হাই স্কুলে (সদ্য চালু করা বিদ্যালয়) ভর্তি করে দেন। মেয়েটি প্রতিদিন পল্লীর আইল রাস্তা দিয়ে বিদ্যালয়ে যাতায়াত করে। অঘটনের দিনও সে যথারীতি বিদ্যালয়ে যাচ্ছিল, চলার আইল পথে তার পায়ে বাবলা কাঁটা বিধে যায়। বাবলা কাঁটার তীব্র ব্যাথায় ছাত্রীটি সেদিন স্কুলে না যেয়ে বাড়ী ফিরে আসে এবং ব্যাথায় চিৎকার করতে থাকে। স্থানীয় চিকিৎসক দ্বারা বাবলা কাঁটাটি বের করলেও তার পা ভীষণ ভাবে ফুলে যায়, প্রায় ২/৩ মাস মেয়েটি খুবই কষ্ট পায় এবং স্কুলে যাওয়া বন্ধ হয়ে যায়।

কয়ড়া বাঘলপুর গ্রামের এস এম মতিয়ার রহমান (এম এ) সাহেব মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, বাংলাদেশ, ঢাকায় (শিক্ষা ভবন) উচ্চপদে চাকুরী করিতেনতিনি গ্রামের বাড়ীতে আত্মীয়, স্বজন, বন্ধু, বান্ধব ও গ্রাম বাসীদের সংগে কোরবানির ঈদ উৎসব উদযাপনের জন্য বাড়ী আসেন। এস এম মতিয়ার রহমান সাহেব ও মোঃ রোস্তম আলী সরকার সাহেবের বাড়ী পাশাপাশি। ছাত্রী মোছাঃ শাহানারা খাতুনের পায়ের অবস্থা দেখে তিনি ভীষণ ব্যথিত হন এবং এলাকায় একটি উচ্চ বিদ্যালয় স্থাপনের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন। মোঃ পামচ সরকার ও বাঘলপুর গ্রামের কিছু বিদ্যানুরাগী ব্যাক্তি তাঁকে গ্রামে একটি উচ্চ বিদ্যালয় স্থাপনের জন্য বিশেষ ভাবে অনুরোধ করেন। তদানুযায়ী রাত্রিতে সারা গ্রামের লোকজন জনাব মতিয়ার রহমানে বাড়ীতে উপস্থিত হয়ে এক সভা করেন। উক্ত সভায় জনাব মতিয়ার রহমান জানতে চান উচ্চ বিদ্যালয় স্থাপনে কে কি সহযোগিতা করবেন। তখন কয়ড়া বাঘলপুর গ্রামের বয়বৃদ্ধমোঃ রোস্তম আলী সরকার সবরকম সহযোগিতা করার অংগীকার করেন। জনাব মোঃ রোস্তম আলী সরকার কয়ড়া বাঘলপুর গ্রামের কবর স্থানের উলু/ছোন বিক্রয়ের টাকা দিয়ে কয়ড়া প্রাথমিকবিদ্যালয়েকয়ড়া বাঘলপুরনিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। কয়ড়া বাঘলপুরনিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনে কয়ড়া এলাকায় বিশেষ সারা জাগে। এলাকার বিদ্যানুরাগী ও বিদ্যোৎসাহী বাক্তিগণ কয়ড়া বাঘলপুরনিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এক সাধারণ সভায় একত্রিত হন। সভা জনাব মতিউর রহমানের সভাপতিত্বে সভা পরিচালিত হচ্ছিল। সভায় বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ কয়ড়া বাঘলপুরনিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে “কয়ড়ানিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়” করণের প্রস্তাব করেন। উক্ত প্রস্তাব সর্বসম্মতিক্রমে ধন্যবাদের সহিত গৃহীত হয়। সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক স্কুল স্থাপনের কার্যক্রম চলতে থাকে।

১৯৭১ সাল মহান মুক্তিযুদ্ধের বছর। কয়ড়া এলাকার অনেক স্বাধীনতাকামী তরুণ মুক্তিযুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়ে। জনাব গাজী  মোঃ খোরশেদ আলম মৃধা তাঁদের মধ্যে অন্যতম। তিনি কয়ড়া জুনিয়র হাই স্কুল স্থাপনের জায়গা ক্রয়ের জন্য ১ (এক) বিঘা জমি ক্রয়ের নগদ অর্থ প্রদান করেন। জনাব মোঃ পামচ সরকার কয়ড়া জুনিয়র হাই স্কুলে ১৭ শতাংশ ও বাবু রাধারমুন সরকার ৫১ শতাংশ জমি দান করেন। কয়ড়া এলাকার অনেক বিদ্যানুরাগী ও বিদ্যোৎসাহী ব্যক্তিগণ কয়ড়া জুনিয়র হাই স্কুল স্থাপনের জন্য নগদ অর্থ, আসবাবপত্র ও অন্যান্য শিক্ষা উপকরণ দান করেন। ১৯৭১ সালের ০১-০১-১৯৭১ ইং তারিখে নিজস্ব ভূমিতে কয়ড়া জুনিয়র হাই স্কুল স্থাপিত হয় এবং উহার কার্যক্রম চলতে থাকে। ১৯৭২ সাল হতে সরকারি স্বীকৃতি লাভ করে। বিদ্যালয় প্রধান ও কার্যকরী পর্ষদের সভাপতি সাহেবের একনিষ্ঠতা আগ্রহ ও স্বচ্ছতার অভাবে বিদ্যালয়টি খুঁড়িয়া খুঁড়িয়া চলতে থাকে। ১৯৭৫ সালের নব-ম্যানেজিং কমিটি গঠিত হয় এবং মোঃ আজিজুল হক তালুকদার নামে এক বিশিষ্ট বিদ্যানুরাগী ব্যক্তি নব গঠিত কমিটিতে আসেন। তাঁর আগমনে বিদ্যালয়ে প্রাণ সঞ্চার হয়। তিনি ছিলেন একজন বি এস-সি (প্ল্যাক্ট)তিনি প্রায়ই ছাত্র-ছাত্রীদের গণিত ও ইংরেজি ক্লাস পরিচালনা করতেন। তাই তিনি উপলব্ধি করলেন যে, বিদ্যালয়ে সুষ্ঠ শ্রেণি পাঠের নিমিত্তে একজন ইংরেজি ও একজন গণিত শিক্ষক নিয়োগকরণ একান্ত প্রয়োজন। সেইহেতু তদানিনতন কার্যকরী পর্ষদ হীরেন্দ্র নাথ চন্দ ও অলক বাবু নামে ২ জন শিক্ষক নিয়োগ দেন। তাঁদের নিয়োগের পর হতেই বিদ্যালয়ের শ্রেণি পাঠের উৎকর্ষতা সাধিত হয় এবং বিদ্যালয় ক্রমে ক্রমে উন্নতির পথে ধাবিত হয়।

কিন্তু ১৯৭৬ সালে প্রচণ্ড কালবৈশাখী ঝড়ে বিদ্যালয় ঘর উড়িয়ে নিয়ে যায়। তখন বিদ্যালয়ের শিক্ষক বৃন্দ ও পরিচালনা পর্ষদ মহা বিপদে পড়ে। এমতবস্থায় সহযোগিতার হস্ত নিয়ে এগিয়ে আসেন অত্র এলাকার বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা জনাব গাজী মোঃ খোরশেদ আলম মৃধা সাহেব। তাঁর আর্থিক সহযোগিতায় বিদ্যালয় চত্বরে গড়ে উঠে ৬৪ হাত ১২ হাত একটি টীনশেড ঘর। আবার শুরু হয় বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম। এক অস্বাভাবিক ঘটনায় প্রধান শিক্ষক, সহঃ প্রধান শিক্ষক ও কারণিক বিদ্যালয়ের কার্যক্রম থেকে দীর্ঘ দিন বিরত থাকেন। অতঃপর জেলা শিক্ষা অফিসার পাবনা সাহেবের মধ্যস্থতায় বিরোধের নিষ্পত্তি হয় এবং বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক গতি ফিরে আসে। তখন অত্র এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ-মোঃ কাইয়ুম উদ্দিন সরকার, মোঃ আফতাব উদ্দিন সরকার, মোঃ আবুল কাশেম সরকার, মোঃ ময়নুল সরকার, ওয়াজেদ আলী সরকার, মোঃ আব্দুস ছামাদ, মোঃ হোসেন রাব্বানী, ইমান আলী খদগীর, আঃ ছাত্তার বি কম, ইমান আলী প্রাং, জয়েন উদ্দিন খন্দকার, রাধারমুন সরকার, শৈলেন সরকার, পরান উদ্দিন সরকার, ছোরহাব আলী বিশ্বাস, নায়েব আলী সরকার, কছির উদ্দিন আহমেদ, ময়নাল সরকার, গোলাম মাজেদ সরকার, পামচ সরকার, এস এম মতিয়ার রহমান, দারুজ্জামান আকন্দ, মোঃ আজাহার আলী, মোঃ শাহজাহান আলী, মোঃ আব্দুস ছামাদ মাষ্টার, আলী আজগর মাষ্টার (শ্যামপুর), গাজী মোঃ খোরশেদ আলম মৃধা, এস এম ওসমান গণী সরকার ও আরও অনেকের সমন্বয়ে এক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণ সভায় কয়ড়া জুনিয়র হাই স্কুলের দ্রুত উন্নয়ন কল্পে কয়ড়া গো-হাটের ইজারা গ্রহণ করে লভ্যাংশ দ্বারা কয়ড়া জুনিয়র হাই স্কুল, কয়ড়া সিনিয়র মাদ্রাসা ও কয়ড়া হাট মসজিদের সার্বিক উন্নয়নের সিদ্ধান্ত করেন। উক্ত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কয়ড়া গো-হাটের লভ্যাংশ দ্বারা-কয়ড়া জুনিয়র হাই স্কুল ও কয়ড়া সিনিয়র মাদ্রাসার দ্রুত উন্নয়নের পথ সুপ্রশস্ত হয়। বিজ্ঞব্যক্তিদের সুচিন্তিত সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে কয়ড়া জুনিয়র হাই স্কুলের শ্রেণি কক্ষ, আসবাবপত্র ও অন্যান্য শিক্ষা উপকরণের ব্যবস্থাকরা সম্ভব হয়। ফলে বিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রী দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং শ্রেণি পাঠ যথার্থ ভাবে হতে থাকে।

১৯৭৮ সালে অসীম কুমার সরকার নামে একজন প্রধান শিক্ষক যোগদান করেন। তিনি যোগদান করেই বুঝতে পারেন যে, বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন ও ভালো ভালো ছাত্র-ছাত্রীদের ধরে রাখার জন্য একজন দক্ষ বি এস-সি শিক্ষক প্রয়োজন। তদনুযায়ী মোঃ মোক্তারুজ্জামান সাহেব নামে একজন বি এস-সি শিক্ষক নিয়োগ করেন। সেই থেকেই বিদ্যালয়ের শ্রেণি পাঠসহ সার্বিক উন্নতি হতে থাকে। কয়ড়া উচ্চ বিদ্যালয় হিসাবে ১৯৮০ সালে ৯ম শ্রেণি এবং ১৯৮১ সালে ১০ম শ্রেণির মানবিক ও বিজ্ঞান শাখার সরকারি স্বীকৃতি পাওয়া যায়। সেই থেকেই জুনিয়র বৃত্তি ও এস এস সি পরীক্ষার ফল অত্যন্ত সন্তোষজনক। যার আন্তরিক চেষ্টা, সততা ও কঠোর প্ররিশ্রমের ফলে কয়ড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নতি হয় তিনি হচ্ছেন তৎকালীন সহকারী প্রধান শিক্ষক বাবু হীরেন্দ্র নাথ চন্দ। তাঁকেই সহকারী প্রধান শিক্ষক থেকে ১৯৮৬ সালে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হয়। তাঁর কঠোর পরিশ্রম, সততা, স্বচ্ছতা ও কর্ম দক্ষতায় বিদ্যালয়টির প্রভুত উন্নতি হয়। সংগে সংগে বিদ্যালয়ে বহিরাগত ছাত্র-ছাত্রীর প্রচুর আগমন ঘটে; ফলে শিক্ষক নিয়োগের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয় ও শাখা খোলার প্রয়োজন হয়। বিদ্যালয়ে প্রতিটি শ্রেণিতেই শাখা খোলা হয় এবং তদানুযায়ী শিক্ষক নিয়োগ করা হয়। সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসাবে বাবু সুনীল কুমার বি এস-সি, বি এড নিয়োজিত হন। বিদ্যালয়ে ৪ জন দক্ষ বি এস-সি, বি এড, ৪ জন বি এ, বি এড, ১ জন হেড মাওলানা, ১ জন বি পি এড, ১ জন বি এ শিক্ষক, ও ১ জন দক্ষ অফিস সহকারী থাকায় বিদ্যালয়ের এস এস সি পরীক্ষার ফলে গুণগত ও সংখ্যাগত উৎকর্ষতার বৃদ্ধি পায়। জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষাতেও উপজেলার মধ্যে ভাল ফল লাভ করে। ১৯৯৩ সালে উপজেলার মধ্যে শ্রেষ্ঠ বিদ্যালয় হিসাবে সরকারি স্বীকৃতি লাভ করে। একই বছরে জনাব মোঃ তারিক হোসেন “জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-১৯৯৩” উপজেলার মধ্যে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হিসাবে সরকারি স্বীকৃতি লাভ করেন

১৯৯৮ সালে অত্র উচ্চ বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক পত্রিকা পড়ে একখানা খবরের কাগজ বিদ্যালয়ে নিয়ে আসেন। উহাতে উল্লেখ ছিল “সুপ্রতিষ্ঠিত উচ্চ বিদ্যালয়ের সংগে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি খোলা যাবে”এ ব্যাপারে কার্যকরী পর্ষদে প্রথম মিটিং হয়। অতঃপর এক সাধারণ সভার মাধ্যমে কয়ড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সংগে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি খোলার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।স্কুলোর সংগে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি খোলার জন্য জনাব গাজী মোঃ খোরশেদ আলম মৃধা অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। এছাড়াও যাদের কথা না বললেই নয় তাঁরা হচ্ছেন-জনাব ওয়াজেদ আলী সরকার, জনাব নায়েব আলী সরকার, জনাব সাখোয়াত হোসেন, জনাব আনোয়ার হোসেন, জনাব ছাইদুর রহমান (তৎকালীন পরিচালনা পর্ষদের বিদ্যোৎসাহী, বর্তমানে অত্র কলেজের সহকারী অধ্যাপক), জনাব এস এম নজিবর রহমান (অত্র স্কুলের শিক্ষক) প্রমুখ। এছাড়া তৎকালীন এম পি মরহুম আব্দুল লতিফ মির্জা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন অনুদান প্রদান করেন।১৯৯৮-১৯৯৯ শিক্ষা বর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তির অনুমতি বোর্ড থেকে বের করা হয়। মানবিক, ব্যবসায় শিক্ষা ও বিজ্ঞান শাখায় ১৭ টি বিষয়ে ১৬ জন প্রভাষক, ১ জন প্রদর্শক, ১ জন সহকারী গ্রন্থাগারিক, ২ জন অফিস সহকারী ও ২ জন ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারী নিয়োগ দেওয়া হয়। বর্তমানে ৪ জন সহকারী অধ্যাপক, ১১ জন সিনিয়র প্রভাষক, ১ জন প্রভাষক, ১ জন সিনিয়র প্রদর্শক, ১ জন সিনিয়র সহকারী গ্রন্থাগারিক, ২ জন অফিস সহকারী ও ২ জন ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারী কর্মরত আছেন।২০০২ সালে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির সরকারি স্বীকৃতি (এম পি ও ভুক্ত) পাওয়া যায়। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টাতেই উচ্চ মাধ্যমিক শাখার পরীক্ষার ফল সন্তোষ জনক এবং উপজেলার মধ্যে অন্যতম কলেজ হিসাবে বর্তমানে প্রতিষ্ঠিত। একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির সার্বিক উৎকর্ষতা সাধনে সকল শিক্ষকগণ ও অন্যান্য কর্মচারীদের অবদান চির স্মরণীয়। বর্তমানে কয়ড়া উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজটি একজন সুদক্ষ অধ্যক্ষেরতত্ত্বাবধানে সুষ্ঠ ও সুন্দর ভাবে সরকারি বিধি বিধান অনুযায়ী পরিচালিত হয়ে আসছে।

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল
মোঃ আবুল হোসেন ০১৭১৫-৮৩৫৯৩৫ ksandc71@gmail.com

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল

 

 

শ্রেণি

ছাত্র

ছাত্রী

মোট

৬ষ্ঠ 

১২০

৮০

২০০

৭ম

১০৫

৭৫

১৮০

৮ম

১২০

৬৫

১৮৫

৯ম ঃ (১) মানবিক

৩৫

২৫

৬০

            (২) বিজ্ঞান

৫৫

১৫

৭০

১০ম ঃ  (১) মানবিক

৭০

৩০

১০০

            (২) বিজ্ঞান

৪০

০৫

৪৫

১১শ  ঃ (১) মানবিক

৪৩

৪৮

৯১

            (২) ব্যবসায় শিক্ষা

১১

০২

১৩

            (৩) বিজ্ঞান

০৫

০১

০৬

১২শ  ঃ (১) মানবিক

৪০

৫১

৯১

            (২) ব্যবসায় শিক্ষা

০৮

০৫

১৩

            (৩) বিজ্ঞান

০৫

০০

০৫

৭৫%

 

 

বর্তমান পরিচালনা কমিটির তথ্য           ঃ        এডহক কমিটি

ক্র নং

নাম

কমিটিতে অবস্থান

মোবাইল নং

০১

মোঃ বরাত হাসান

সভাপতি

০১৭১৪-৬৭৭১৭৭

০২

মোঃ আবুল হোসেন

সদস্য সচিব

০১৭১৫-৮৩৫৯৩৫

০৩

মোঃ মকবুল হোসেন মাষ্টার

অভিভাবক সদস্য

০১৭৩৯-৯৭৩২৪৬

০৪

মোঃ শাহাদৎ হোসেন

শিক্ষক প্রতিনিধি

০১৭১৬-৬২২৭৬৭

 

 

পরীক্ষার বছর

জে.এস.সি

এস.এস.সি

এইচ.এস.সি

মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা

সর্বমোট পাশ

বিভাগ

মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা

সর্বমোট পাশ

বিভাগ

মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা

সর্বমোট পাশ

২০০৮

জে.এস.সি ছিলো না

মানবিক

৫৭

৩০

মানবিক

৬০

৪৫

বিজ্ঞান

৩৫

২৫

বিজ্ঞান

০৮

০৩

ব্যবসায় শিক্ষা

১৫

১৫

২০০৯

জে.এস.সি ছিলো না

মানবিক

৮৫

৩৫

মানবিক

৫৩

৪২

বিজ্ঞান

৪৫

২৮

বিজ্ঞান

০৯

০১

ব্যবসায় শিক্ষা

০৬

০৩

২০১০

১২৬

৪৪

মানবিক

৬৮

৪৭

মানবিক

৫৭

৩৬

বিজ্ঞান

৫৮

৪৩

বিজ্ঞান

১০

০৬

ব্যবসায় শিক্ষা

১৩

১৩

২০১১

১৯২

১৩৯

মানবিক

৮৬

৬৭

মানবিক

৭২

৫৩

বিজ্ঞান

৫৬

৪৫

বিজ্ঞান

১৪

০৭

ব্যবসায় শিক্ষা

০৯

০৫

২০১২

পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় নাই

মানবিক

৯৮

৭৫

মানবিক

৭৩

৫৯

বিজ্ঞান

৫৪

৪৯

বিজ্ঞান

১০

০২

ব্যবসায় শিক্ষা

১৩

১১

 

 

কোন শিক্ষা বৃত্তি চালু নাই।

 

১৯৯৩ সালে উপজেলার মধ্যে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসাবে সরকারি স্বীকৃতি।

 

 

পাবলিক পরীক্ষা সমুহে ১০০% পাশ নিশ্চিতকরণ।

 

 

সড়ক পথঃ উল্লাপাড়া-মোহনপুর রোডের মাঝামাঝি কয়ড়া বাজার, বাজারের পূর্ব পাশেই কয়ড়া উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ

 

পোস্টাল ঠিকানাঃ ডাকঘর-কয়ড়া বাজার,উপজেলা-উল্লাপাড়া,জেলা-সিরাজগঞ্জ, পোস্টালকোড-৬৬৬২

 

মোবাইলঃ +৮৮-০১৭১৫-৮৩৫৯৩৫

ই-মেইলঃ ksandc71@gmail.com

স্ক্রীন ঠিকানা (Skype): kayra.school.college

 

 

বিগত ৫ বছরের সমাপনী/পাবলিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা

পরীক্ষার বছর

জে.এস.সি

এস.এস.সি

এইচ.এস.সি

২০০৮

জে.এস.সি ছিলো না

--

--

২০০৯

জে.এস.সি ছিলো না

০৩

--

২০১০

--

০৫

০১

২০১১

০৩

০৪

০১

২০১২

পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় নাই

০৪

--



Share with :

Facebook Twitter