মেনু নির্বাচন করুন

পুরাকীর্তির সংক্ষিপ্ত বর্ণনা

রবীন্দ্র-কাচারিবাড়ি

শাহজাদপুরের আর একটি বিখ্যাত ও জনপ্রিয় পুরাকীর্তি হচ্ছে বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শাহজাদপুরের কাচারিবাড়ী। এটি রবীন্দ্রনাথের পৈতৃক জমিদারি তত্ত্বাবধানের কাচারি ছিল। তারও পূর্বে অষ্টাদশ শতাব্দীতে এটি নীলকরদের নীলকুঠি ছিল। সে কারনে এখনও অনেকে একে কুঠিবাড়ী বলে। পরে রবীন্দ্রনাথের দাদা প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর এটি নিলামে কিনে নেন। এখানে রয়েছে জমিদারির খাজনা আদায়ের কাচারির একটি ধ্বংসাবশেষ, একটি বেশ বড়সর দ্বিতল ভবন। বর্তমানে এখানে নির্মিত হয়েছে একটি আধুনিক অডিটোরিয়াম। দ্বিতল ভবনটি বর্তমানে রবীন্দ্র জাদুঘর হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে এবং আঙ্গিনার বিস্তৃত জায়গা জুড়ে তৈরী করা হয়েছে সুদৃশ্য একটি ফুলবাগান। রবীন্দ্রনাথ পিতার আদেশে ঊনত্রিশ বছর বয়সে ১৮৯০ সালে জমিদারি তত্ত্বাবধানের জন্য প্রথম শাহজদাপুর আসেন। রবীন্দ্রনাথ এখানকার প্রকৃতি ও মানুষের বিচিত্র জীবন প্রবাহের সৌন্দর্য দেখে অভিভূত হন। এখানে এসে তার লেখা একটি কবিতায় তিনি বলেছেন,

 

‘‘নদী ভরা কূলে কূলে, ক্ষেত ভরা ধান।

আমি ভাবিতেছি বসে কি গাহিব গান।

কেতকী জলের ধারে

ফুটিয়াছে ঝোপে ঝাড়ে,

নিরাকুল ফুলভারে বকুল-বাগান।

কানায় কানায় পূর্ণ আমার পরাণ’’

                                                                (ভরা ভাদরে- সোনার তরী)

 

রবীন্দ্রনাথ ১৮৯০ থেকে ১৮৯৬ মোট ৭ বছর জমিদারির কাজে শাহজাদপুরে আসা-যাওয়া এবং অবস্থান করেছেন। কিন্তু তার এই শাহজাদপুরে আসা-যাওয়া শুধু জমিদারি তত্ত্বাবধানের বস্ত্তনিষ্ঠ প্রয়োজনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি। বরং এই জমিদারির প্রয়োজনকে ছাপিয়ে প্রাধান্য পেয়েছে কবির সাহিত্য সৃষ্টির অনুপ্রেরণা ও সৃজনশীলতা। এই সময়ের মধ্যে এখানে তিনি তার অনেক অসাধারন কালজয়ী সাহিত্য রচনা করেছেন। এর মধ্যে ‘সোনার তরী’ কাব্যের ‘ভরা ভাদরে’, ‘দুইপাখি’ ‘আকাশের চাঁদ’, ‘হৃদয় যমুনা’, ‘প্রত্যাখ্যান’, ‘বৈষ্ণব কবিতা’, ‘পুরস্কার’ ইত্যাদি অসাধারণ কবিতা রচনা করেছেন। ‘চৈতালী’ কাব্যের ‘নদীযাত্রা’, ‘শুশ্রূষা’,‘ইছামতি নদী’, ‘বিদায়’, ‘আশিস-গ্রহণ’ ইত্যাদি কবিতা এবং ‘কল্পনা’ কাব্যের ‘যাচনা’, , ‘বিদায়’, ‘নরবিরহ’, ‘মানস-প্রতিমা’, ‘লজ্জিতা’, ‘সংকোচ’, ইত্যাদি বিখ্যাত গান রচনা করেছেন। তার শাহজাদপুরে রচিত ছোটগল্পের মধ্যে ‘পোষ্টমাস্টার’, ‘ছুটি’, ‘সমাপ্তি’, ‘অতিথি’ ইত্যাদি বিখ্যাত। আর প্রবন্ধের মধ্যে ‘ছেলে ভুলানো ছড়া’, ‘পঞ্চভূত’, এর অংশবিশেষ এবং ‘ছিন্নপত্র’ ও ছিন্নপত্রাবলীর আটত্রিশটি পত্র রচনা করেছেন। এছাড়া তার ‘বিসর্জন’ নাটকও এখানে রচিত। সবচেয়ে বড় কথা, তার পরবর্তী সাহিত্য সৃষ্টির ক্ষেত্রে শাহজাদপুরের প্রভাব বিশেষভাবে বিদ্যমান।

 

 
 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

রবীন্দ্র কাচারী বাড়ি

 

            ঠাকুর পরিবারে জমিদারি ভাগাভাগির ফলে শাহজাদপুরের জমিদারি চলে যায় রবীন্দ্রনাথের অন্য শরীকদের হাতে। তাই ১৮৯৬ সালে তিনি শেষ বারের মতো শাহজাদপুর থেকে চলে যান। এর পরে তিনি আর শাহজাদপুরে আসেননি। কিন্তু শাহজাদপুর ছিল রবীন্দ্রনাথের অত্যমত্ম প্রিয় এবং ভালোবাসার একটি স্থান। তার ভালোবাসার কথা তিনি তার বিভিন্ন লেখায় বিশেষ করে ‘ছিন্নপত্র’ ও ‘ছিন্নপত্রাবলী’তে গভীর আবেগ এবং আমত্মরিকতার সাথে উল্লেখ করেছেন। ১৮৯৪ সালের ৫ সেপ্টেম্বর শাহজাদপুর থেকে লেখা একটি চিঠিতে তিনি স্পষ্টই বলেছেন, ‘‘ এখানে (শাহজাদপুরে) যেমন আমার মনে লেখার ভাব ও ইচ্ছা আসে এমন কোথাও না।’’ (ছিন্নপত্র- পত্র সংখ্যা-১১৯) এছাড়াও অন্যান্য লেখাতেও শাহজাদপুর সম্পর্কে তার আবেগময় ভালোবাসার কথা ব্যক্ত করেছেন। তার মৃত্যুর এক বছর আগে ১৯৪০ সালে শাহজাদপুরের তৎকালীন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব হরিদাস বসাকের চিঠির জবাবে তিনি লিখেছেন,‘শাহজাদপুরের সাথে আমার বাহিরের যোগসূত্র যদিও বিচ্ছিন্ন তবুও অমত্মরের যোগ নিবিড়ভাবে আমার স্মৃতির  সঙ্গে জড়িত। আমার প্রতি সেখানকার অধিবাসীদের শ্রদ্ধা এখনো যদি অক্ষুন্ন থাকে তবে আমি পুরস্কার বলে গণ্য করব’’ (শাহজাদপুরে রবীন্দ্রনাথ-মোহাম্মদ আনসারুজ্জামান)। শাহজাদপুরের প্রতি রবীন্দ্রনাথের এই ভালবাসা একে দিয়েছে মর্যাদা ও গৌরবের একটা ভিন্ন মাত্রা। শাহজাদপুরও রবীন্দ্রনাথকে গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার সাথে হৃদয়ে লালন করছে। প্রতিদিন দেশ বিদেশ থেকে বহু দর্শনার্থী কবির স্মৃতিধন্য এই স্থানটি দর্শনে আসেন।

 

            এছাড়া প্রতি বছর সরকারি উদ্যোগে সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসনের আয়োজনে তিন দিন ব্যাপী ব্যাপক অনুষ্ঠানমালার মাধ্যমে যথাযোগ্য মর্যাদায় ও উৎসাহ উদ্দীপনার সাথে রবীন্দ্র জন্মজয়মত্মী পালিত হয়। এই জন্মজয়মত্মী অনুষ্ঠানে হাজার হাজার মানুষের ঢল নামে। রবীন্দ্র-কাচারিবাড়ীর মিলনায়তনে কোনভাবেই স্থান সংকুলান হয় না। তাই একামত্ম প্রয়োজন দেখা দিয়েছে একটি রবীন্দ্র মুক্ত মঞ্চের। কাচারিবাড়ীর দক্ষিণ-পশ্চিমাংশে একটি মুক্তমঞ্চ নির্মাণের মতো যথেষ্ট জায়গা রয়েছে। কাচারিবাড়ীর প্রত্নতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য ও সৌন্দর্য অক্ষুন্ন রাখার জন্য যা কিছু প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ তা জরুরী ভিত্তিতে গ্রহণ করার পরামর্শ সুধী মহলের। সাম্প্রতিকালে শাহজাদপুরে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের দাবী দলমত নির্বিশেষে এখানকার সব মানুষের প্রাণের দাবীতে পরিণত হয়েছে। উল্লেখ্য, আমাদের জাতীয় সঙ্গীতের রচয়িতা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথের নামে এখন পর্যমত্ম বাংলাদেশে কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা অন্য কোন প্রতিষ্ঠান আছে বলে জানা নেই।

 

চলন বিল  বাংলাএদএশর সবএচএয় বড় বিল বৈং সম«্রলতম জলাভৃমিপ্পলির কৈটি। দৈএশর সবট্টবহেৎ ইৈ বিলটি বিভিষক্ষ্ম খালবা জলখাত্রঙ্কারা পর’ক্সর সংযুল্ফদ্ধ অএনকপ্পলি ছৈাট ছৈাট বিএলর সম’’’ব। বষট্টাকাএল প্পৈলি সব কৈসএব্দ কৈাকার হএয় পণ্ঠায় ৩৬৮.০০ বগট্ট কিমি লৈাকার কৈটি জলরাশিএত পরিণত হয়। বিলটি সংলদক্ষ্ম তিনটি জৈলা নাটোর, পাবনা ও সিরাজগল্ক-রৈ অংশ বিএশষ জুএড় অব’র্ান করএছ। চলন বিল সিরাজগল্ক জৈলার রায়গল্ক ও পাবনা জৈলার চাটএমাহর উপএজলা দুটির অধিকাংশ ’র্ান জুএড় বি’বতে। এছাড়া সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ থানার তিন-চতুর্থাংশই এ বিলের মধ্যে অবস্থিত। বিলটির দপ্টিণ-পূবট্ট পণ্ঠাসব পাবনা জৈলার নুননগএরর কাএছ অ’’বমনীষা পযট্টসব বি’বতে। জজৈলায় চলন বিএলর উল্ফর সীমানা হএণছ সিংড়ার পূবট্ট পণ্ঠাসব ^^এক ভদাই নদী পযট্টসব টানা রৈখাটি যা নাটোর, পাবনা ও বপ্পড়া জৈলার মধঞ্ঝবতট্টী সীমানা নিএদট্টশ কএর। ভদাই নদীর পূবট্ট পাএড় অব’’র্ত তাড়াশ উপএজলা ও পাবনা জৈলা বরাবর উল্ফর-দপ্টিণমুখী কৈটি রৈখা টানএল তা হএব বিলটির মৈাটামুটি পূবট্ট সীমানা। বিলটির পণ্ঠশ’বতম অংশ উল্ফর-পূবট্ট কৈাএণ তাড়াশ ^^এক প্পমনী নদীর উল্ফর পাএড়র নারায়ণপুর পযট্টসব পণ্ঠায় ১৩ কিমি বি’বতে সিংড়া ^^এক প্পমনী পাএড়র কচিকাটা পযট্টসব অংএশ টটির Šদঘট্টঞ্ঝ সবএচএয় বৈশি, ২৪ কিমি।

চলন বিল গঠনকারী ছৈাট ছৈাট বিলপ্পলি পস্নিম ^^এক পূএবট্ট য^াষ্ণদ্ধএম: ১) পূবট্ট মধঞ্ঝনগর, ২) পিপরূল, ৩) ডাঙাপাড়া, ৪) লাএরার, ৫) তাজপুর, ৬) নিয়ালা, ৭) চলন, ৮) মাঝগাঁও, ৯) বিত্তয়াএশা, ১০) চৈানএমাহন, ১১) শাতাইল, ১২) খরদহ, ১৩) দারিকুশি, ১৪) কাজীপাড়া, ১৫) গজনা, ১৬) বড়বিল, ১৭) সৈানাপাতিলা, ১৮) ঘুঘুদহ, ১৯) কুরলিয়া, ২০) চিরল, ২১) দিপ্টিবিল বৈং ২২) প্পরকা। বড় আকাএরর বিলপ্পলির বৈশিরভাগই পাবনা জৈলায় অব’’র্ত, যৈমন" গজনা বিল, বড়বিল, সৈানাপাতিলা বিল, ঘুঘুদহ, চিরল বিল বৈং প্পরকা বিল। গজনা বিল দুলাই-রৈ দপ্টিএণ ১২৩.০০ বগট্ট কিমি লৈাকা জুএড় অব’’র্ত। বড়বিএলর আয়তন ৩১.০০ বগট্ট কিমি। পণ্ঠায় ৩৫.০০ বগট্ট কিমি আয়তএনর সৈানাপাতিলা বিল পাবনা জৈলার উল্ফরাংশ জুএড় অব’’র্ত। চাটএমাহর উপএজলায় কুরলিয়া ও দিপ্টিবিল দুটি য^াষ্ণদ্ধএম ১৮.০০ ও ১৫.০০ বগট্ট কিমি লৈাকা জুএড় অব’’র্ত। চিরল ও প্পরকা বিল- উভএয়রই আয়তন ৮.০০ বগট্ট কিমি বৈং ঘুঘুদহ ৪.০০ বগট্ট কিমি।

বত্তহ্মপুষ্ণ নদ যখন তার পণ্ঠবাহপ^ পরিবতট্টন কএর বতট্টমান যমুনায় রৃপ নৈয়, সৈ সমএয়ই চলন বিএলর সw’’’ব। করএতায়াআষ্ণাইনদীর পরিতঞ্ঝল্ফদ্ধ গতিপ^ অসবভট্টুল্ফিদ্ধর মাধঞ্ঝএম কৈটি বঞ্ঝাপক বি’বতে হত্তএদ পরিণত হওয়ার পূবট্ট পযট্টসব টটি সজ্ঞ¿বত কৈটি পস্নাৎজলাভৃমি ছিল। চলন বিএলর গঠন ঐতিহাসিকভাএবই আষ্ণাই ও বড়াল নদীর সংএকাচএনর সএব্দ সজ্ঞক্সকট্টযুল্ফদ্ধ। আষ্ণাই নদী ছিল চলন বিএলর পণ্ঠধান যৈাগানদানকারী পণ্ঠণালী যা বহেল্ফর রাজশাহী জৈলার উল্ফরাংশ ও দিনাজপুর লৈাকার জল নি’’ঙাশন করত। বড়াল চলন বিল ^^এক জল নিগট্টমন প^ হিএসএব কাজ কএর বৈং বিএলর পানি বহন কএর যমুনা নদীএত ফৈএল। গঠিত হওয়ার সময় চলন বিএলর আয়তন ছিল পণ্ঠায় ১,০৮৮ বগট্ট কিমি।

চলন বিএলর দপ্টিণ পণ্ঠাসব ঘৈঁএষ রএয়এছ প্পমনী নদী যা বিলটির পানি বএয় নিএয় পণ্ঠ^এম বড় বিএল ফৈএল বৈং শৈষ পযট্টসব যমুনায় পতিত হয়। যমুনা বনঞ্ঝা ক্রদ্দাবিত হএয় পানির উণচতা বৈএড় গৈএল বড়াল সৈই পানি কিছুটা ধএর রাএখ বৈং বিএলর পানিও বৈএড় যায়; যমুনার পানি নৈএম না যাওয়া পযট্টসব পানির ইৈ উণচতা কএম না। স্ট’’ঙ মৈত্রসুএম বিএলর বহেল্ফর অংশ স্টকিএয় ২৫.৯ ^^এক ৩১.০৮ বগট্ট কিমি আয়তএনর কৈ জল গহগ্ধএর পরিণত হয়, যাএক বিএলর ওমূল অংশহ বলা যৈএত পাএর। ইৈ মূল অংশ অবশঞ্ঝ অবঞ্ঝাহত পানি সরবরাহ ^^এক বম্ফিত, বরং কিছু সংখঞ্ঝক অগভীর জলাশএয়র সম’’’ব যা পর’ক্সর অতঞ্ঝসব অাঁকাবাঁকা কিছু খাল্রঙ্কারা সংযুল্ফদ্ধ। ইৈ মূল অংশএক ঘিএর দুটি কৈএকক্টিদন্ডক অসম ডিজ্ঞঙ্কাকার লৈাকা আএছ যৈখাএন আম্ফলিকভাএব ওভাসমান ধানহ নাএম পরিচিত সরূ চাএলর ধানউৎপষক্ষ্ম হয়। পণ্ঠ^ম বল্ফেটি, যা দপ্টিণ-পস্নিম দিএক সব্জীণট্ট, বষট্টা মৈত্রসুএম ১.৫৩ ^^এক ১.৮৩ মিটার গভীর পানিএত পূণট্ট ^াএক। চলন বিএলর পস্নিম দিকএক ওবহিঃবল্ফেহ হিএসএব চিহিদ্ধত করা যায় যৈখাএন বষট্টা মৈত্রসুএম পানি বিএলর অনঞ্ঝানঞ্ঝ অংশ ^^এক অএনক কম ^াএক। দুই বল্ফে লৈাকাই ডিএসজ্ঞঙ্কর ^^এক জুন মাস পযট্টসব পুএরাপুরি স্টকএনা ^াএক।

বতট্টমাএন চলন বিল দত্তূত ভরাট হএয় যাএণছ। পণ্ঠতি বছর গব্দা ^^এক পলি এৈস পড়ার দরূন বিগত দৈড়শ বছএর বিলটি দপ্টিণ দিক ^^এক অসবতপএপ্ট ১৯.৩২ কিমি সএর এৈসএছ। বিলটিএত পণ্ঠবাহদানকারী নদীপ্পলি, য^া প্পর, বড়াল ইতঞ্ঝাদিও টটির আয়তন সংএকাচএনর প্টৈএষ্ণ যএ^’’ব ভৃমিকা রাখএছ। বিলটির পানি নি’’ঙাশন পণ্ঠণালী বৈং পলি সম্ফএয়র বিষয়টি অনুসষলান কএর দৈখার জনঞ্ঝ গণপূতট্ট বিভাগ ১৯০৯ সাএল কৈটি জরিপ চালিএয় দৈএখএছ যৈ, চলন বিল তার পূএবট্টকার আয়তন ১,০৮৫.০০ বগট্ট কিমি ^^এক সব্জুচিত হএয় ৩৬৮.০০ বগট্ট কিমি-দৈঁাড়িএয়এছ। অবশি’’ব জমি বঞ্ঝবহৃত হএয়এছ চাষাবাদ অ^বা জনবসতির জনঞ্ঝ। ইৈ হত্তাসপণ্ঠাক্রব লৈাকারও মাষ্ণ ৮৫ বগট্ট কিমি-সৈারা বছর ধএর পানি ^াএক। কৈটি সমীপ্টা ^^এক জানা যায় যৈ, বিএল পতিত নদীপ্পলি পণ্ঠতি বৎসর ৬৩ লপ্ট ঘনমিটার পলি বহন কএর আএন বৈং রৈ মএধঞ্ঝ মাষ্ণ ১৫ লপ্ট ঘনমিটার বিল ^^এক বৈরিএয় আএস বিএলর বিভিষক্ষ্ম নি’’ঙাশন পণ্ঠণালীর মাধঞ্ঝএম। অবশি’’ব ৪৮ লপ্ট ঘনমিটার বাৎসরিক তলানি হিএসএব জমা হয়। ইৈ পলি যদি সম’ব বিল লৈাকায় সমবমিবত হএতা, তএব বিলটির তলএদএশর অনুভৃমিক উণচতা বছএর ১.২৭ সৈমি হাএর বw«্রল পাওয়ার ক^া। স্টকএনা মৈত্রসুএম বিলটির পরি’’র্তি দৈখার জনঞ্ঝ ১৯১০ সাএল আরও কৈটি অনুসষলান চালাএনা হয় বৈং দৈখা যায় যৈ, বিলটির আয়তন আরও হত্তাস পৈএয়এছ। ১৯১৩ সাএল ততেীয় পযট্টএবপ্টএণ দৈখা যায় যৈ, মাষ্ণ ৩১ ^^এক ৩৯ বগট্ট কিমি লৈাকায় পুএরা বছর জুএড় পানি ছিল। সৈ সময় বিলটির কৈক্টদন্ডীয় অংএশর পাড় লৈাকায় চাষবাস হএতা বৈং মূল বিএল পপিণ্ঠল মাএস পানির গভীরতা ছিল মাষ্ণ ২.৭৫ ^^এক ৫.৪৯ মিটার। ১৯৫০ রৈ দশএক বিভিষক্ষ্ম পুনর্রূলার কমট্টসূচির দরূন চলন বিএলর আয়তন পুনরায় কএম দাঁড়িএয়এছ মাষ্ণ ২৫.৯ বগট্ট কিএলামিটাএর। ১৯৮৭ সাএল দৈখা যায় যৈ, স্টকএনা মৈত্রসুএম চলন বিল পরিণত হয় কৈটি জলশূনঞ্ঝ নিচু লৈাকায়, যৈখাএন পানি বলএত স্টধু মানুএষর Šতরি কিছু ছৈাট ছৈাট পুকুর ছাড়া আর কিছুই অবশি’’ব ছিল না।

খৃষ্টীয় অষ্টম শতাব্দীতে অদিশূরের রাজত্বকালে চলনবিল অঞ্চল গৌড় রাজ্যের ‘ভড়’ লোকার অমত্মর্ভূক্ত হয়। এ কারণেই পরবর্তী যুগে চলনবিলের অধিবাসিগণকে ‘ভড়িয়া’ নামে আখ্যায়িত করা হয় যেমন বলা হয় ‘চর’ অঞ্চলের অধিবাসিকে ‘চরিয়া’। ১৯১৪ খৃষ্টাব্দে চলনবিলের মধ্য দিয়ে সাড়র সিরাজগঞ্জ রেললাইন স্থাপিত হয় এবং চলনবিলকে দ্বিধাবিভক্ত করে।

কৈটি বঞ্ঝাপার সু’প’’ব যৈ, চলন বিল বৈশ দত্তূত ভরাট হএয় আসএছ। জমি পুনর্রূলার হএণছ বৈং বিএলর ধার দিএয় গএড় উঠএছ গণ্ঠাম। কৈবল কৈএক্টদন্ডর গভীরতম অংশটুকু ছাড়া স্টকএনা মৈত্রসুএম সম’ব ছৈাট-বড় বিল স্টকিএয় যায়। কৈএক্টদন্ডর বাইএর পণ্ঠাসবীয় লৈাকাপ্পলিএত স্ট’’ঙ মৈত্রসুএম বৈাএরা ও উণচ ফলনশীল ধান চাষ করা হয়। বষট্টার সময় অগভীর পণ্ঠাসবীয় লৈাকায় গভীর পানির আমন ধান চাষ করা হয়। উল্ফরবএব্দর মাএছর চাহিদা পূরএণ চলন বিল খৈনও প্পরূতঙ্গপূণট্ট অবদান রাখএছ।

 

হৃরাসাগর নদী

আষ্ণাই-বড়াল বৈং ফুলজোড় (বাব্দালী-করএতায়া)-রৈ সজ্ঞিঞ্ছলিত সৈত্তাতধারা। চলন বিএলর পূবট্টপণ্ঠাএসব চাঁচকইর নামক ’র্াএন প্পমানী নদী প্পর নদীর সএব্দ মিলিত হএয় প্পমানী নাএম পণ্ঠবাহিত হয়। চাটএমাহএরর পূবট্ট দিএক এৈস টটি বড়াল-রৈ সএব্দ মিলিত হএয় বড়াল (আষ্ণাই-বড়াল) নাএম পণ্ঠবাহিত হএয়এছ। চাটএমাহর ^^এক পণ্ঠায় ৪৮ কিমি পূবট্ট-দপ্টিএণ বাঘাবাড়ীর কাএছ ইৈ আষ্ণাই-বড়াল নদী তার বামতীএর ফুলঝড় (বাব্দালী-করএতায়া) নদীএক ধারণ কএর বৈং মিলিত পণ্ঠবাহ হৃরাসাগর নাম ধারণ কএর পূবট্ট-দপ্টিণ দিএক পণ্ঠবাহিত হএণছ। বৈড়া পুলিশ ’’বশএনর কাএছ হৃরাসাগর তার ডান তীএর ইছামতি নদীর পণ্ঠবাহএক ধারণ কএর যমুনা নদীএত পতিত হএয়এছ।

বাঘাবাড়ী ^^এক কিছুটা ভাটিএত বৈড়া বাজাএরর সামানঞ্ঝ উল্ফর-পস্নিএম কৈটি বিরাট বহৃমুখী সৈচ পণ্ঠকএত্মগুর নিমট্টাণ কাজ চলএছ। খৈাএন কৈাধাএর সৈচ কাএজর জনঞ্ঝ পানি হৃরাসাগর ^^এক নিএয় ইছামতি নদী বা খাএল দৈওয়া হএব, যা ইৈ সৈচ পণ্ঠকএত্মগুর পণ্ঠধান খাল হিএসএব বঞ্ঝবহার করা হএব। আবার বষট্টা মৈত্রসুএম সৈচ লৈাকার অতিরিল্ফদ্ধ পানি নি’’ঙাশন কএর হৃরাসাগর নদীর মাধঞ্ঝএম যমুনায় পণ্ঠবাহিত করা হএব।

ইছামতি ^^এক নৈত্রযানপ্পলির সরাসরি হৃরাসাগএর যাওয়ার কৈান সুবিধা ছিল না বিধায় কৈটি নৈভিএগশন লক নিমট্টাণ করা হএয়এছ, যার সাহাএযঞ্ঝ দুই পাএশঙ্কট্টর দুই নদীর পানির লৈএভএল পা^ট্টকঞ্ঝ ^াকা সএল্ফঙ্গও ছৈাট-খাএটা দৈশী নৈত্রকা পৈার-ওপার করা যায়। বতট্টমাএন ইৈ নদীর পণ্ঠবাহ খুবই কএম গিএয়এছ, স্টকনা মৈত্রসুএম পানি পণ্ঠায় এৈকবাএরই ^াএক না। অৈব’র্া ভবিষঞ্ঝএত বৈড়া সৈচ পণ্ঠকএত্মগুর সফল পরিচালনার জনঞ্ঝ হৃমকি হএয় দাঁড়াএত পাএর।

 

পোতাজিয়া নবরত্ন মন্দিরঃ

 

শাহজাদপুর থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে পোতাজিয়া নামক গ্রামে পোতাজিয়া নবরত্ন মন্দিরের ধ্বংসাবশেষ অবস্থিত। বর্গাকারে নির্মিত এই মন্দিরের প্রত্যেক বাহু ছিল ৯.০৯মিটার। দোলমঞ্চ আকারে নির্মিত  মন্দিরটি তিনতলা বিশিষ্ট ছিল। প্রথম তলের চারকোণে ৪টি, দ্বিতীয় তলের চারকোণে ৪টি এবং তৃতীয় তলের উপরে ১টি মোট ৯টি চূড়া বা রত্ন ছিল বলে  এ’টি নবরত্ন মন্দির নামে পরিচিত। বর্তমানে মন্দিরের চূড়া বা রত্নগুলো ধ্বংসপ্রাপ্ত।

 

 

 
 

3

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

পোতাজিয়া নবরত্ন মন্দির

 

মন্দিরের উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব কর্ণারে প্রায় ৬মিটার উঁচু দু’টি দেয়াল এখনও দাঁড়িয়ে আছে। চুন সুরকী ও পাতলা ইট দ্বারা নির্মিত দেয়ালে পোড়ামাটির চিত্রফলক লক্ষ্য করা যায়। বর্তমানে মন্দিরের আশেপাশে বেশ কিছু ঘরবাড়ী নির্মিত হয়েছে। মন্দিরটিরধ্বংসাবশেষ দেখে ধারণা হয় এ’টি সপ্তদশ শতকে নির্মিত। বৃহত্তর পাবনা জেলার ইতিহাস গ্রন্থের লেখক রাধারমন শাহা এর মতে ১৭০০ সালে বঙ্গীয় কায়স্থ সমাজের পক্ষে গোবিন্দ রাম কৃষ্ণবল্ল­ব রায় এ মন্দিরটি নির্মাণ করেছিলেন ।

 

 

হাটিকুমরুল গ্রামের মন্দির সমূহঃ

সিরাজগঞ্জ মোড় থেকে ৩ কিলোমিটার উত্তরে উল্লা­­পাড়া-বগুড়া মহাসড়কের ১কিলোমিটার পূর্বদিকে হাটিকুমরুল গ্রামে ১টি নবরত্ন মন্দির, ২টি শিবমন্দির এবং ১টি দোচালা আকৃতির মন্দির আছে।

 

 

নবরত্ন মন্দিরঃ

হাটিকুমরুল গ্রামে অবস্থিত সবচেয়ে বড় মন্দিরটি দোলমঞ্চ বা নবরত্ন মন্দির নামে পরিচিত। মন্দিরের উপরের রত্ন বা চূড়াগুলোর অধিকাংশ নষ্ট হয়ে গেছে। দিনাজপুর জেলার কান্তনগর মন্দিরের অনুকরণে নির্মিত দ্বিতল বিশিষ্ট এ মন্দিরের আয়তন ১৭মিটার ঢ ১৭মিটার। মন্দিরের চারদিকে টানা বারান্দা বেষ্টিত একটি গর্ভগৃহ রয়েছে। বারান্দার বাইরের দিকে ৭টি এবং ভিতরের দিকে ৫টি খিলান প্রবেশপথ আছে। দ্বিতীয় তলায় বারান্দা নেই। দেয়াল ও স্তম্ভগুলোর উপরে অতি সুন্দর  পোড়ামাটির চিত্রফলক ছিল। বেশিরভাগ চিত্রফলকে ফুল ও লতাপাতার কাজ ছিল। চিত্রফলকগুলো অধিকাংশ নষ্ট হয়ে গেলেও কিছু কিছু ফলকচিত্র এখনও টিকে আছে।  মন্দিরের ১ম ও ২য় তলায় ছাদের চারকোণে চারটি করে ৮(আট)টি এবং সর্বশেষ স্তরের উপর ১টি মোট ৯টি চূড়া বা রত্ন ছিল। তাই এটি নবরত্ন মন্দির নামে পরিচিত। রত্ন বা চূড়াগুলো ধ্বংস হয়ে গেলেও কিছু কিছু নিদর্শন এখনও বিদ্যমান। মন্দিরের ছাদ প্রান্ত আংশিক বাঁকানো।

 

 

4

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

হাটিকুমরুল নবরত্ন মন্দির

 

এ মন্দিরে কোন শিলালিপি পাওয়া যায়নি। তবে কিছু পাঠ্যজাত বিবরণ থেকে জানা যায় যে, নবাব মুর্শিদকুলী খানের শাসনামলে রামনাথ ভাদুড়ী নামে জনৈক তহসীলদার খ্রিঃ ১৭০৪-১৭২৮ সালের মধ্যবর্তী সময়ে এ'টি নির্মাণ করেছিলেন ।

মন্দির সংলগ্ন পশ্চিম দিকে একটি মজে যাওয়া ছোট পুকুর আছে। স্থানীয় জনপ্রবাদ মতে পুকুরে নাকি লোহার সিন্দুক রয়েছে এবং সেই সিন্দুক মন্দিরের তলদেশ থেকে লোহার শিকলে আবদ্ধ।

 

বড় শিবমন্দিরঃ

নবরত্ন মন্দির থেকে প্রায় ১৩০ মিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে একটা মজা পুকুরের পূর্ব পাশে মন্দিরটি অবস্থিত। বর্গাকারে নির্মিত মন্দিরের প্রতিটি বাহু ৫মিটার এবং পূর্ব বাহুতে একটি মাত্র প্রবেশপথ আছে।

 

 

 

 

 

 

 

 

 
 

 

 

 

 

 

 

 

বড় শিব মন্দির

 

 

 

 

প্রবেশপথের উভয় পাশে ও উপরে চমৎকার পোড়ামাটির চিত্রফলক রয়েছে। উপরের চিত্রফলকগুলো কিছু খোয়া গেলেও দু’পাশে এখনও বহু চিত্রফলক মন্দিরের শোভাবর্ধন করছে। মন্দিরটি রত্ন বা চূড়া আকৃতির ছাদ দ্বারা আচ্ছাদিত এবং বেশ উঁচু। এ মন্দিরেও কোন শিলালিপি পাওয়া যায়নি, তবে নির্মাণ শৈলীর বিচারে মন্দিরটি নবরত্ন মন্দিরের সমসাময়িক  অর্থাৎ খ্রিঃ ১৭ শতকে নির্মিত বলে ধারণা করা য়ায় ।

 

ছোট শিবমন্দিরঃ

নবরত্ন মন্দিরের ২০ মিটার উত্তর-পূর্ব পাশে ছোট আকৃতির একটি মন্দির আছে। বর্গাকারে নির্মিত মন্দিরের প্রতিটি বাহু ৩ মিটার। দক্ষিণ বাহুতে একটি মাত্র প্রবেশপথ রয়েছে।

 

 
 

6

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

ছোট শিব মন্দির

চুন সুরকী ও পাতলা ইট দ্বারা নির্মিত মন্দিরের ছাদ চূড়া আকৃতির এবং সমতল ভূমি থেকে প্রায় ৮মিটার উঁচু। এ মন্দিরে পোড়ামাটির চিত্রফলক লক্ষ্য করা যায় না । মন্দিরটি খ্রি. ১৭ শতকে নির্মিত বলে ধারণা করা যায়।

 

দোচালা মন্দিরঃ

নবরত্ন মন্দিরের আনুমানিক ৫০ মিটার উত্তরে প্রায় ৬ মিটার ঢ ৪ মিটার পরিমাপের  আয়তাকার একটি বিচিত্র মন্দির রয়েছে। উত্তর-দক্ষিণে  লম্বা এ মন্দিরের উপরে দোচালা ঘরের আকৃতিতে নির্মিত পাকা ছাদ আছে। বাঁকানো কার্ণিশ বিশিষ্ট এ মন্দিরটি দেখতে বড়ই সুন্দর। 

 

 
 

7

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

দোচালা মন্দির

 

 

 

এ মন্দিরের গায়ে কোন কারুকার্য বা পোড়ামাটির চিত্রফলক নেই। মন্দিরে পূর্ব দেয়ালের মধ্যবর্তী স্থানে একটি মাত্র প্রবেশ পথ আছে। মন্দিরটি চুন সুরকী ও পাতলা ইট দ্বারা নির্মিত এবং দেয়ালে চুন সুরকীর আস্তর রয়েছে। হাটিকুমরুল গ্রামে অবস্থিত অন্যান্য মন্দিরের তুলনায় এ'টি বেশ অটুট অবস্থায় রয়েছে। স্থানীয় লোকজনের মতে অন্তপুরের মহিলাদের পূজা অর্চনার নিমিত্তে এ মন্দিরটি নির্মিত হয়েছিল। এ মন্দিরের অদূরে পশ্চিম পাশে  প্রাচীন ইটের ধ্বংসাবশেষ লক্ষ্য করা যায়। এ ধ্বংসাবশেষটি মন্দির নির্মাতার আবাস বাটি/বাড়ি বলে অনেকে মনে করেন। এ মন্দিরের কোন শিলালিপি পাওয়া যায়নি। তবে গঠণ প্রণালী ও স্থাপত্য শৈলীর আলোকে অনুমিত হয় যে, এটি উনবিংশ শতকের শেষভাগে নির্মিত হয়েছিল।